নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: পৈতৃক জমিতে বাড়ি তৈরি করা নিয়ে ঝামেলা। তার জেরে বউদি সহ দু’জনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপানো হল। জখম সন্ধ্যারানি ঘোষ ও মৌসুমি ঘোষ আশঙ্কাজনক অবস্থায় কলকাতায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বুধবার রাতে আসানসোল পুরসভার ২০ নম্বর ওয়ার্ডেই গাড়ুই ঘোষপাড়ার ওই ঘটনায় উত্তেজনা ছড়ায়। ঘটনায় মূল অভিযুক্ত তারক ঘোষ ও তার ছেলে প্রসেনজিৎ ঘোষ পলাতক। তাদের খোঁজে পুলিস তল্লাশি শুরু করেছে। তবে তারকের স্ত্রী চিন্তা ঘোষকে পুলিস গ্রেপ্তার করেছে। স্থানীয় কাউন্সিলার অর্জুন মাজি বলেন, আমরা পুলিসকে সঠিক তদন্ত করে দোষীদের উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানিয়েছি।
Advertisement
ডিসি ধ্রুব দাস বলেন, জমি সংক্রান্ত বিবাদের জেরে বাবা, ছেলে মিলে দু’জনকে এলোপাথাড়ি কুপিয়েছে। আমরা অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছি। একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। খুনের চেষ্টার ধারায় মামলা রুজু হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তারকরা তিন ভাই। পৈতৃক জমিতে বাড়ি তৈরি করা নিয়ে দাদা ধনঞ্জয় ঘোষের পরিবারের সঙ্গে তারকের পরিবারের ঝামেলা চলছিল। তা নিয়ে বুধবার সন্ধ্যায় অশান্তি শুরু হয়। তখনই বাবা ও ছেলে মিলে ধনঞ্জয়বাবুর স্ত্রী সন্ধ্যারানি ঘোষ ও তাঁর পুত্রবধূ মৌসুমি ঘোষকে টাঙি দিয়ে কোপায় বলে অভিযোগ। তাঁদের বাঁচাতে গিয়ে অন্য আত্মীয়রাও অল্পবিস্তর জখম হন। পুরো এলাকা রক্তে ভেসে যায়। ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পুলিসের দাবি, পরিকল্পনা করেই এই আক্রমণ। ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে বিষয়টি মদত জুগিয়েছিল চিন্তা। শুক্রবার ধৃতকে আসানসোল আদালতে তোলা হলে বিচারক ১৪ দিনের পুলিসি হেফাজতের নির্দেশ দেন। এদিকে আক্রান্তদের অবস্থার অবনতি হয়েছে। এদিন পুলিস তাঁদের জবানবন্দি নেয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তারকরা তিন ভাই। পৈতৃক জমিতে বাড়ি তৈরি করা নিয়ে দাদা ধনঞ্জয় ঘোষের পরিবারের সঙ্গে তারকের পরিবারের ঝামেলা চলছিল। তা নিয়ে বুধবার সন্ধ্যায় অশান্তি শুরু হয়। তখনই বাবা ও ছেলে মিলে ধনঞ্জয়বাবুর স্ত্রী সন্ধ্যারানি ঘোষ ও তাঁর পুত্রবধূ মৌসুমি ঘোষকে টাঙি দিয়ে কোপায় বলে অভিযোগ। তাঁদের বাঁচাতে গিয়ে অন্য আত্মীয়রাও অল্পবিস্তর জখম হন। পুরো এলাকা রক্তে ভেসে যায়। ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পুলিসের দাবি, পরিকল্পনা করেই এই আক্রমণ। ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে বিষয়টি মদত জুগিয়েছিল চিন্তা। শুক্রবার ধৃতকে আসানসোল আদালতে তোলা হলে বিচারক ১৪ দিনের পুলিসি হেফাজতের নির্দেশ দেন। এদিকে আক্রান্তদের অবস্থার অবনতি হয়েছে। এদিন পুলিস তাঁদের জবানবন্দি নেয়।



