সুমন তেওয়ারি, আসানসোল: হাউসিং ফর অল প্রকল্পে বাড়ি তৈরি করতে অনীহা উপভোক্তাদের। প্রশ্নের মুখে পড়ছেন আসানসোল পুরসভার আধিকারিকরা। প্রায় ছ’হাজার উপভোক্তা বাড়ি তৈরির কাজ শুরুই করেননি। ২০১৬-’১৭ সালে প্রকল্পের অনুমোদন পাওয়া উপভোক্তাদের মধ্যে ১২০০জন সাত বছর ধরে নানা টালবাহানায় বাড়ি তৈরির কাজ শুরু করেননি। ২০২১-’২২ অর্থবর্ষের তালিকায় নাম থাকা প্রায় ৪৮০০জন উপভোক্তা বাড়ি তৈরির কাজে হাত লাগাননি। এই অবস্থায় প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা ২.০ প্রকল্প দরজায় কড়া নাড়ছে। এই হাউসিং প্রকল্প বন্ধ হবে কি না তার নিশ্চয়তা নেই। এই অবস্থায় ২০ নভেম্বর বুধবারের মধ্যে বাড়ি তৈরির কাজ শুরুর চূড়ান্ত সময়সীমা বেঁধে দিল পুরসভা। উপভোক্তার বাড়িতে সরকারি নোটিস যেতেই শহরজুড়ে হইচই শুরু হয়েছে।
Advertisement
আসানসোল পুরসভার মেয়র বিধান উপাধ্যায় বলেন, আমরা হাউসিং ফর অল প্রকল্প দ্রুত শেষ করতে চাই। জমি সংক্রান্ত জটিলতা কাটাতে ভূমি রাজস্ব দপ্তরের সঙ্গে মিটিংও হয়েছে। গ্রামীণ এলাকায় আবাস প্রকল্প নিয়ে এখন সরগরম বাংলা। শহরে এই প্রকল্পই হাউসিং ফর অল। এখানে উলটপুরাণ। এই প্রকল্পে বাড়ি তৈরির জন্য তিন লক্ষ ৩৩ হাজার টাকা মেলে। এই প্রকল্পে উপভোক্তারা বাড়ি তৈরি করছেন না। যার জেরে পুরো প্রকল্পের অগ্রগতিই প্রশ্নের মুখে পড়েছে। কেন এই অনীহা? জানা গিয়েছে, এই প্রকল্পে আগে উপভোক্তাকে টাকা দিয়ে বাড়ি কাজ শুরু করতে হবে। তারপর ধাপে ধাপে সরকারি অনুদান আসবে। ভিত লেবেল পর্যন্ত করলে ৮০হাজার, লিনটন পর্যন্ত বাড়ি হলে আরও ৭০হাজার, ছাদ ঢালাই হলে এক লক্ষ এবং বাড়ির কাজ সম্পন্ন হলে জিও ট্যাগিংয়ের মাধ্যমে ছবি তোলা ও সার্ভের পর মিলবে বাকি টাকা।
২০১৬-’১৭ অর্থবর্ষে আসানসোল পুরসভার ৫৮০৬ জন উপভোক্তা বাড়ি তৈরির অনুমোদন আসে। তারমধ্যে ১২০০জন বাড়ি তৈরি শুরুই করেননি। ২০২১-’২২ অর্থবর্ষে পুরসভায় ৭৭৬৭টি বাড়ি তৈরির অনুমোদন আসে। এবছর নভেম্বর মাসেও বাড়ি সম্পূর্ণ হওয়ার সংখ্যাটা যথেষ্ট অসন্তোষজনক। এখনও পর্যন্ত মোট প্রায় ছ’হাজার উপভোক্তা বাড়ি তৈরির কাজ শুরুই করেননি, যা নিয়ে রাজ্য ও কেন্দ্রের প্রশ্নের মুখে পড়তে হচ্ছে পুরসভাকে।
সবচেয়ে চিন্তার প্রধানমন্ত্রী আবাস ২.০ প্রকল্প শুরু হওয়া নিয়ে। এতে একদিকে যেমন নতুন উপভোক্তার আবাস প্রকল্পে নাম তোলার সুযোগ আসতে চলেছে তেমনই পুরনো প্রকল্প বাতিল হয়ে গেলে এই উপভোক্তাদের টাকা পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হতে পারে। সেকারণে হাউজিং ফর অল প্রকল্প নিয়ে উঠেপড়ে লেগেছে পুরসভা। জমিজট কাটাতে যেমন বৈঠক করা হচ্ছে তেমনই উপভোক্তারা যাতে নিজেদের খরচ বাড়ি তৈরির কাজ শুরু করেন তা নিয়ে আইনি নোটিস দেওয়া হচ্ছে। তাতে অনেকেই মেয়রের কাছে সময়সীমা বাড়ানোর আর্জি রেখেছেন। তাঁদের দাবি, গরিব পরিবার। কয়েকদিনের মধ্যে কীভাবে ভিত পর্যন্ত বাড়ি তৈরি সম্ভব!
কুলটি ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক দুলাল চক্রবর্তী বলেন, আমার এলাকার বহু গরিব মানুষ সময় বাড়ানোর আর্জি জানিয়েছেন। তাঁদের পক্ষে এত দ্রুত এই কাজ সম্পন্ন করা অসম্ভব।
২০১৬-’১৭ অর্থবর্ষে আসানসোল পুরসভার ৫৮০৬ জন উপভোক্তা বাড়ি তৈরির অনুমোদন আসে। তারমধ্যে ১২০০জন বাড়ি তৈরি শুরুই করেননি। ২০২১-’২২ অর্থবর্ষে পুরসভায় ৭৭৬৭টি বাড়ি তৈরির অনুমোদন আসে। এবছর নভেম্বর মাসেও বাড়ি সম্পূর্ণ হওয়ার সংখ্যাটা যথেষ্ট অসন্তোষজনক। এখনও পর্যন্ত মোট প্রায় ছ’হাজার উপভোক্তা বাড়ি তৈরির কাজ শুরুই করেননি, যা নিয়ে রাজ্য ও কেন্দ্রের প্রশ্নের মুখে পড়তে হচ্ছে পুরসভাকে।
সবচেয়ে চিন্তার প্রধানমন্ত্রী আবাস ২.০ প্রকল্প শুরু হওয়া নিয়ে। এতে একদিকে যেমন নতুন উপভোক্তার আবাস প্রকল্পে নাম তোলার সুযোগ আসতে চলেছে তেমনই পুরনো প্রকল্প বাতিল হয়ে গেলে এই উপভোক্তাদের টাকা পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হতে পারে। সেকারণে হাউজিং ফর অল প্রকল্প নিয়ে উঠেপড়ে লেগেছে পুরসভা। জমিজট কাটাতে যেমন বৈঠক করা হচ্ছে তেমনই উপভোক্তারা যাতে নিজেদের খরচ বাড়ি তৈরির কাজ শুরু করেন তা নিয়ে আইনি নোটিস দেওয়া হচ্ছে। তাতে অনেকেই মেয়রের কাছে সময়সীমা বাড়ানোর আর্জি রেখেছেন। তাঁদের দাবি, গরিব পরিবার। কয়েকদিনের মধ্যে কীভাবে ভিত পর্যন্ত বাড়ি তৈরি সম্ভব!
কুলটি ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক দুলাল চক্রবর্তী বলেন, আমার এলাকার বহু গরিব মানুষ সময় বাড়ানোর আর্জি জানিয়েছেন। তাঁদের পক্ষে এত দ্রুত এই কাজ সম্পন্ন করা অসম্ভব।



