নয়াদিল্লি: স্ট্রাইক রেট অবিশ্বাস্য। ২০২.০১! টি-২০ তে ৪০ টি ইনিংসে অভিষেক শর্মার সংগ্রহ ১৬০২ রান। বিশের ফরম্যাটে ব্যাটার অভিষেকের উত্থান একেবারে ধূমকেতুর গতিতে। বাঁ হাতি অল-রাউন্ডারকে অবিলম্বে একদিনের ভারতীয় দলে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি তুললেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। তাঁর ইউটিউব চ্যানেল ‘অ্যাশ কি বাতে’ বেশ জনপ্রিয়। অভিষেক ইস্যুতে সেখানেই মুখ খুলেছেন অশ্বিন। প্রাক্তন জাতীয় ক্রিকেটারের মন্তব্য, ‘আগামীদিনে অভিষেকই ভারতীয় ক্রিকেটের মেগাস্টার। আমার তো মনে হয়, ২০২৫ সালে ভারতীয় ক্রিকেটের সেরা বিজ্ঞাপন অভিষেক শর্মা। বছরের সেরা ক্রিকেটার বাছাই করতে হলে অভিষেকই আমার পছন্দ। এমন প্রতিভা চট করে দেখা যায় না।’
ওয়ান ডে’তে রোহিত শর্মার সঙ্গে সাধারণত ওপেন করেন শুভমান গিল। তাই অশ্বিনের সার্টিফিকেট সত্ত্বেও প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। অনেকের ধারণা, ২০২৭ বিশ্বকাপ খেলে হিটম্যান অবসর নেবেন। তখন অটোমেটিক চয়েস হতেই পারেন অভিষেক। এক্ষেত্রে অশ্বিনের মন্তব্য, ‘আগুনে মেজাজে ব্যাট করছে ছেলেটা। ফর্মে থাকা অভিষেক একদিনের ক্রিকেটে সম্পদ হতে পারে।’ আসলে অভিষেক ক্লিন হিট নিতে পারেন। উইকেটের চারিদিকে স্ট্রোকের ফুলঝুরি ছোটাতে ওস্তাদ। বাঁহাতি হওয়ায় খেলায় আলাদা সৌন্দর্যও রয়েছে। আইপিএলের মঞ্চেও নিজেকে আলাদা উচ্চতায় তুলে নিয়েছেন যুবরাজ সিংয়ের প্রিয় ছাত্র। এমনকী, আইসিসি টি-২০ ব্যাটারের তালিকায় শীর্ষস্থানও দখল করেছিলেন তিনি। পাওয়ার প্লে-তে ফায়দা তুলতে অভিষেকের জুড়ি নেই। এই প্রসঙ্গে অশ্বিন বলেছেন, ‘পরবর্তী প্রজন্মের কাছে অভিষেক আইডল হয়ে উঠতে পারে। বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে যে কোনও প্রতিপক্ষকে তছনছ করার ক্ষমতা রাখে। কোনও প্রশংসাই যথেষ্ট নয়।’
এদিকে, শ্রেয়স আয়ারের ফিটনেস নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। চোটের পর তাঁর নাকি ছয় কেজি ওজন কমেছে। ফলে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওডিআই সিরিজে তাঁর খেলার সম্ভাবনা কম।