Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

দুর্যোগের জেরে তাল কাটল অষ্টমীর, বৃহস্পতিবার সুরে ফিরতে মরিয়া চন্দননগর

আজ নবমী। জগদ্ধাত্রী পুজোর দুর্গানবমী। চন্দননগর ও ভদ্রেশ্বরের মুখ্য উৎসবের দিন। সারাবছরের অপেক্ষার সেই প্রহরকে কেন্দ্র করে বুধবার রাত থেকেই সরগরম অতীতের ফরাসি কলোনি।

দুর্যোগের জেরে তাল কাটল অষ্টমীর,  বৃহস্পতিবার সুরে ফিরতে মরিয়া চন্দননগর
  • ৩০ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: আজ নবমী। জগদ্ধাত্রী পুজোর দুর্গানবমী। চন্দননগর ও ভদ্রেশ্বরের মুখ্য উৎসবের দিন। সারাবছরের অপেক্ষার সেই প্রহরকে কেন্দ্র করে বুধবার রাত থেকেই সরগরম অতীতের ফরাসি কলোনি। পুজো মণ্ডপে পুজোর আয়োজন। দুর্যোগের সম্ভাবনায় বাড়তি সতর্কতার সঙ্গে প্রস্তুতি চলছে চন্দননগর ও ভদ্রেশ্বরে। বুধবার অবশ্য কিছু জায়গায় অষ্টমী পুজো হয়েছে। হয়েছে কুমারী পুজোও। তবে ছুটির দিন না হওয়া এবং দুর্যোগের ফলে অষ্টমীর রাতে চন্দননগরের উৎসবে সামান্য হলেও ছন্দপতন। গত রবিবার থেকে যে ভিড়ের দাপট শহর চন্দননগরে দেখা গিয়েছিল বুধবার তা কার্যত দেখা যায়নি। সন্ধ্যার পর দুর্যোগ কমায় দর্শক সমাগম বাড়ে। তবে তার রং অনেকটাই ফিকে। যদিও আজ, বৃহস্পতিবার নবমী ঘিরে চন্দননগর, ভদ্রেশ্বরে আর এক দফা জনস্রোত দেখার প্রত্যাশা করছে পুজো কমিটিগুলি। দুর্যোগের পরিস্থিতি কেমন থাকে তা নিয়ে রয়েছে আশা নিরাশার দোলাচল। আবহাওয়া বিশারদদের একটি অংশের মতে বৃহস্পতিবার দুর্যোগের ঘনঘটা থাকবে না। অন্য একটি মহলের অবশ্য দাবি, বৃহস্পতিবারই মন-থা’র কামড় দেখা যেতেও পারে। পুজো উদ্যোক্তা মোহিত নন্দী, পীয়ূষ বিশ্বাস, শুভেন্দু মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘দর্শক আসতে না পারলে তো আর কিছু করার নেই। কিন্তু পুজোর আচার নিয়ম যথাযথভাবে পালন হবে। কারণ পুজোর সবাই দেবী আরাধনার এই বিশেষ দিনটির জন্য বছরভর অপেক্ষা করে থাকেন। জগদ্ধাত্রী পুজো তো শুধু পুজো নয় চন্দননগরের আবেগের একটি বাড়তি পরিভাষাও।’ একই কথা বলছেন চন্দননগর কেন্দ্রীয় পুজো কমিটির সাধারণ সম্পাদক শুভজিৎ সাউ। তিনি বলেন, ‘মূলত দুর্যোগের দাপটেই বুধবার ভিড়ের দাপট জগদ্ধাত্রী নগরীতে দেখা যায়নি। তবে আজ, বৃহস্পতিবার পুজোর মূল দিন। ফলে উৎসবের আবহ চন্দননগর, ভদ্রেশ্বরজুড়েই থাকবে। তার জন্য বছরভর সকলে প্রস্তুতি নিয়েছেন। সেই আবেহের প্রকাশ দুর্যোগ থাকলেও হবে। তবে আশা করব, আবহাওয়া স্বাভাবিক থাকবে। বুধবারের ভিড় কম হওয়ার আক্ষেপ বৃহস্পতিবার দুর্গানবমীর রাতে মিটে যাবে।’ 

Advertisement

পুজো উদ্যোক্তাদের দাবি, বৃহস্পতিবারের পরে শুক্রবার পর্যন্ত পুজো উৎসব চলবে। শনিবার অর্থাৎ এক নভেম্বর বিসর্জন ও বিশ্ববিখ্যাত শোভাযাত্রা আছে। ফলে ভাঙা মণ্ডপে বিশেষ আকর্ষণ কিছু থাকবে না। অন্যদিকে ইতিমধ্যেই শোভাযাত্রায় মাতিয়ে দেওয়ার জন্য পুজো উদ্যোক্তাদের তরফে প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। নবমী পুজোর পর সে আয়োজনের পালে বাড়তি বাতাস লাগবে। দুর্যোগের কারণে ছন্দপতনের রেশ কাটিয়ে উঠতে মরিয়া প্রয়াস শুরু হয়েছে চন্দননগরে।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ