সংবাদদাতা, মানবাজার: শীত পড়তেই বিভিন্ন জেলা থেকে শিউলিরা ছুটে আসেন পুরুলিয়াতে। গ্রামে গ্রামে তাঁবু খাটিয়ে গুড় তৈরি করেন তাঁরা। অনেকে পাটালিও তৈরি করেন। গ্রামবাসীদের খেজুর গাছ জমা নিয়ে সেখান থেকে রস সংগ্রহ করেন। পুরুলিয়ার হাড় কাঁপানো ঠান্ডায় খেজুর রসের মান ভালো হয়। তাই গুড় ও পাটালির স্বাদও হয় লা জবাব।
Advertisement
বাঁকুড়া জেলার ইন্দপুর থানার গৌয়ুরবাজার গ্রাম থেকে আসা আসগর আলি খান মানবাজারের পেদ্দা গ্রামে এসে তাঁবু খাটিয়েছেন। সঙ্গে আছেন দুই সহকর্মী। র্তাঁ তৈরি পাটালি ইতিমধ্যেই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। তিনি জানান, ‘গুড়ের চাইতে পাটালির দাম বেশি, তাই পাটালি তৈরি করি। গুড় পাইকারি ৬০ টাকা কেজি ধরে বিক্রি হয়, পাটালি ১০০ টাকা কেজি। ভালো মানের পাটালির বাজারে চাহিদা রয়েছে।’
তাঁর তাবুর পাশেই খেজুর রস ফোটানোর বড় উনুন। তাতেই খড় দিয়ে আগুন জ্বেলে ফোটানো হয় রস। ভোর তিনটে থেকে শুরু হয়ে যায় খেজুর গাছ থেকে রসের হাঁড়ি সংগ্রহের কাজ। সেই রস বড় পাত্রে ঢেলে ফোটানো হয়। তারপর ফের আবার গাছে হাড়ি টাগতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন তাঁরা। পেদ্দা ও স্থানীয় রাজাবাগান গ্রাম মিলে তাঁর ৩০০ গাছ লিজে নেওয়া আছে। প্রতিদিন অর্ধেক গাছে হাড়ি টাঙানো হয়। পরের দিন বাকি অর্ধেকে টাঙানো হয়। একদিন করে বিরাম দেওয়া হয় দেড়শ গাছকে। পাটালি তৈরির ক্ষেত্রে ভালো খেজুর রসের প্রয়োজন। সেই জন্য জিরান গাছের (১ দিন খেজুর গাছকে বিরাম দিয়ে পরের দিন হাড়ি টানানো) রসের প্রয়োজন হয়। তিনি প্রতিদিন এক কুইন্টালের বেশি পাটালি তৈরি করেন। সপ্তাহের সাত থেকে আট কুইন্টাল পাটালি তৈরি হয়। সেই পাটালি বাইরের ব্যবসাদাররা কিনে নিয়ে যান। বেশিরভাগ ঘাটাল থেকে ব্যবসায়ীরা আসেন। মাত্র তিন মাসের রোজগারেই সারা বছর বসে খান তিনি। খেজুর গুড় ও পাটালি তৈরির কাজ শুরু হয়ে যায় ভাদ্র মাস থেকে। তখন থেকেই খেজুর গাছের ডালপালা কেটে পরিষ্কার করা হয়। ফের আশ্বিন মাসে আবার গাছের ছাল চেঁছে পরিষ্কার করা হয়। কার্তিক মাস থেকে সেই গাছে হাড়ি টাঙানো হয়। তখন থেকেই পাটালি তৈরি শুরু। চলে মাঘ মাসের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত।
তাঁর তাবুর পাশেই খেজুর রস ফোটানোর বড় উনুন। তাতেই খড় দিয়ে আগুন জ্বেলে ফোটানো হয় রস। ভোর তিনটে থেকে শুরু হয়ে যায় খেজুর গাছ থেকে রসের হাঁড়ি সংগ্রহের কাজ। সেই রস বড় পাত্রে ঢেলে ফোটানো হয়। তারপর ফের আবার গাছে হাড়ি টাগতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন তাঁরা। পেদ্দা ও স্থানীয় রাজাবাগান গ্রাম মিলে তাঁর ৩০০ গাছ লিজে নেওয়া আছে। প্রতিদিন অর্ধেক গাছে হাড়ি টাঙানো হয়। পরের দিন বাকি অর্ধেকে টাঙানো হয়। একদিন করে বিরাম দেওয়া হয় দেড়শ গাছকে। পাটালি তৈরির ক্ষেত্রে ভালো খেজুর রসের প্রয়োজন। সেই জন্য জিরান গাছের (১ দিন খেজুর গাছকে বিরাম দিয়ে পরের দিন হাড়ি টানানো) রসের প্রয়োজন হয়। তিনি প্রতিদিন এক কুইন্টালের বেশি পাটালি তৈরি করেন। সপ্তাহের সাত থেকে আট কুইন্টাল পাটালি তৈরি হয়। সেই পাটালি বাইরের ব্যবসাদাররা কিনে নিয়ে যান। বেশিরভাগ ঘাটাল থেকে ব্যবসায়ীরা আসেন। মাত্র তিন মাসের রোজগারেই সারা বছর বসে খান তিনি। খেজুর গুড় ও পাটালি তৈরির কাজ শুরু হয়ে যায় ভাদ্র মাস থেকে। তখন থেকেই খেজুর গাছের ডালপালা কেটে পরিষ্কার করা হয়। ফের আশ্বিন মাসে আবার গাছের ছাল চেঁছে পরিষ্কার করা হয়। কার্তিক মাস থেকে সেই গাছে হাড়ি টাঙানো হয়। তখন থেকেই পাটালি তৈরি শুরু। চলে মাঘ মাসের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত।



