নিতাই সাহা, সিউড়ি: লেট লতিফ শিক্ষকদের সময়ে অফিসে আনতে পদক্ষেপ করছে বীরভূম জেলা প্রাথমিকশিক্ষা সংসদ। অভিযোগ, নির্দিষ্ট সময়ের তোয়াক্কা না করে অনেকেই মর্জিমাফিক স্কুলে আসেন। আসি যাই মাইনে পাই, ভাবনাতেই বহু শিক্ষকের দিন কাটছে। সেই শিক্ষকদের বাগে আনতে এবার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ প্রযুক্তির সাহায্য নিচ্ছে। শিক্ষকদের ‘ফাঁকিবাজি’ রুখতে ভিডিও কল করে উপস্থিতি যাচাই করা হবে। সেক্ষেত্রে কোনও শিক্ষকের গরহাজির হওয়ার বিষয়টি সামনে এলে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। প্রয়োজনে ‘ফাঁকিবাজ’ শিক্ষকদের সাসপেন্ডও করা হতে পারে। সংসদের চেয়ারম্যান প্রলয় নায়েক বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে চাঙ্গা করাটাই মূল লক্ষ্য। সেই লক্ষ্যে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তারমধ্যে অন্যতম শিক্ষকদের ফাঁকিবাজি রোখা। তার জন্য প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়া হচ্ছে। অভিভাবকদের তরফে কোনও শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ এলে তা যাচাই করতে ভিডিও কল করা হবে।
Advertisement
স্কুলশিক্ষকদের ফাঁকিবাজি কোনও নতুন কথা নয়। শহরাঞ্চলে ফাঁকিবাজি খুবএকটা নজরে আসে না। তবে গ্রামাঞ্চলে অহরহ এই দৃশ্য নজরে আসে। স্থানীয় সহ অভিভাবকেরা অবশ্য এই দৃশ্য দেখতেই অভ্যস্ত। যদিও তাঁরাও বীতশ্রদ্ধ হয়ে উঠেছেন। তবে বহু ক্ষেত্রেই অভিভাবক সহ স্থানীয়রা প্রতিবাদেও শামিল হন। সেই ঘটনাও একাধিক সময় রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে নজরেএসেছে। এই পরিস্থিতিতে জেলার শিক্ষা ব্যবস্থাকে চাঙ্গা করতে সংসদ আসরে নেমেছেন। উৎকর্ষ বিদ্যালয় অন্বেষণ প্রজেক্টের হাত ধরে জেলার প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষকদের গতিবিধির ওপর নজরদারি চালানো হচ্ছে। এসআই থেকে শুরু করে শিক্ষাবন্ধুরা সেই কাজ করবে ন। অভিযোগ সহ অনুমানের ভিত্তিতে মাঝে মধ্যেই এই জেলার বিভিন্ন প্রান্তের স্কুলগুলিতে সারপ্রাইজ ভিজিট চালানো হচ্ছে। সংসদের চেয়ারম্যান নিজেও সারপ্রাইজ ভিজিটে শামিল হতে চলেছেন। এবার দোসর হল প্রযুক্তি।
প্রাথমিকের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে কম অভিযোগ নেই। সব থেকে বড় অভিযোগ, প্রাথমিক স্কুলের ঠিকঠাক পড়াশোনা হয় না। এই অভিযোগকে হাতিয়ার করেই বাচ্চাদের ভবিষ্যৎ গড়তে অভিভাবকেরা বেসরকারি স্কুলের প্রতি আগ্রহ দেখাচ্ছেন। ফলত সরকারি প্রাথমিক স্কুল গুলিতে পড়ুয়া সংখ্যা ক্রমশ কমতে শুরু করেছে। এই পরিস্থিতিতে স্কুল গুলিকে চাঙ্গা করতে রাজ্যের তরফে একাধিক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। যদিও প্রাথমিক স্কুলগুলির খুব একটা উন্নতি হয়নি। অনেকেই মনে করছেন প্রাথমিকের শিক্ষকরা পড়ুয়াদের পাঠদানে মনোযোগী হলে পুনরায় স্কুলগুলির মানোন্নয়ন হবে। কিন্তু আদৌ ফাঁকিবাজ শিক্ষকদের বাগে আনা সম্ভব হবে কি? এই প্রশ্নই এখন লাখ টাকার।
সংসদের তরফে জানা গিয়েছে, কোনও শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে তা খতিয়ে দেখতে হিয়ারিং করা হয়। এরপর অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। কোনও ক্ষেত্রে সাময়িক বদলি। আবার কোনও কোনও ক্ষেত্রে সাসপেন্ড করা হতে পারে।
প্রাথমিকের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে কম অভিযোগ নেই। সব থেকে বড় অভিযোগ, প্রাথমিক স্কুলের ঠিকঠাক পড়াশোনা হয় না। এই অভিযোগকে হাতিয়ার করেই বাচ্চাদের ভবিষ্যৎ গড়তে অভিভাবকেরা বেসরকারি স্কুলের প্রতি আগ্রহ দেখাচ্ছেন। ফলত সরকারি প্রাথমিক স্কুল গুলিতে পড়ুয়া সংখ্যা ক্রমশ কমতে শুরু করেছে। এই পরিস্থিতিতে স্কুল গুলিকে চাঙ্গা করতে রাজ্যের তরফে একাধিক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। যদিও প্রাথমিক স্কুলগুলির খুব একটা উন্নতি হয়নি। অনেকেই মনে করছেন প্রাথমিকের শিক্ষকরা পড়ুয়াদের পাঠদানে মনোযোগী হলে পুনরায় স্কুলগুলির মানোন্নয়ন হবে। কিন্তু আদৌ ফাঁকিবাজ শিক্ষকদের বাগে আনা সম্ভব হবে কি? এই প্রশ্নই এখন লাখ টাকার।
সংসদের তরফে জানা গিয়েছে, কোনও শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে তা খতিয়ে দেখতে হিয়ারিং করা হয়। এরপর অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। কোনও ক্ষেত্রে সাময়িক বদলি। আবার কোনও কোনও ক্ষেত্রে সাসপেন্ড করা হতে পারে।



