সংবাদদাতা, কান্দি: একজনের বয়স ৮ বছর। অপরজন ১০ বছরের। একই পরিবারের দুই ভাইবোন ১০০ শতাংশ প্রতিবন্ধী। শারীরিকভাবে অক্ষম হয়েও ওদের স্কুলে যাওয়ার প্রবল ইচ্ছে। কিন্তু আর্থিক সঙ্কট অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই বাড়ি থেকে সামান্য দূরে স্কুল থাকলেও বড়ঞা ব্লকের কাটনা গ্রামের মাঝপাড়ার ‘বিশেষ’ ভাইবোনের ইচ্ছেপূরণ হচ্ছে না।
Advertisement
গ্রামের বাসিন্দা নুর মহম্মদ পেশায় দিনমজুর। তাঁর সারাদিনের হাড়ভাঙা রোজগারেই পরিবারের পাঁচজনের খাবার জোটে। জমিজমা ছিটেফোঁটাও নেই। মাটির দেওয়াল দেওয়া টিনের চালার এক কামরার ঘরে পাঁচজনের বাস। পাশের একটি টিনের চালায় রয়েছে একটি মাত্র গোরু। ওই একটি মাত্র ঘরের একদিকে গত তিনবছর ধরে শুয়ে রয়েছেন নুর মহম্মদের মা। তিনবছর আগে পড়ে গিয়ে তিনি পক্ষাঘাতে আক্রান্ত। চিকিৎসা করেও সুস্থ হননি। নুর মহম্মদের পরিবারে আর রয়েছেন স্ত্রী নায়েস বিবি ছাড়া ১০ বছরের ছেলে চাঁদ মহম্মদ শেখ ও ৮ বছরের মেয়ে নাসরিন সুলতানা।
পরিবার সূত্রে জানানো হয়েছে, দু’জনের ক্ষেত্রেই একইভাবে প্রতিবন্ধী হওয়ার ঘটনা ঘটে। জন্মের কয়েকমাস পরেই হঠাৎ করে সামান্য কয়েকদিনের জ্বর। তারপরেই হাত পা বেঁকে যাওয়া থেকে প্রতিবন্ধী হয়ে পড়ার ঘটনা ঘটে। এরপর বহু ডাক্তার দেখিয়েও সুস্থ করা যায়নি ওদের। দুই প্রতিবন্ধী সন্তানের হাঁটার ক্ষমতা নেই। ভালো করে কথাও বলতে পারে না। নিজের হাতে তুলে ঠিকমতো খাওয়া দাওয়াও করতে পারে না। তবে দু’জনেরই লেখাপড়ার প্রতি ঝোঁক রয়েছে। অআকখ বই দুইজনেরই রয়েছে। অক্ষরগুলি অস্পষ্টভাবে উচ্চারণও করতে পারে দু’জনেই। স্কুলে যাওয়ার ইচ্ছেও চরম উভয়ের। কিন্তু ওদের স্কুলে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করতে অক্ষম পরিবার।
নায়েস বিবি বলেন, স্বামী দিনমজুরের কাজ করে কোনওমতে সংসার খরচ জোগাড় করেন। আমাকে পরিবারের তিনজনের সেবা করতেই সময় চলে যায়। তার উপর একটি গোরুও রয়েছে। ছেলে মেয়েদের স্কুলে যাওয়ার চরম ঝোঁক থাকলেও আমার সময় নেই। তাই কিছুই করা যাচ্ছে না।
পরিবার সূত্রে জানান হয়েছে, দুই সন্তানকে সুস্থ করার জন্য বহু ডাক্তার দেখিয়েছেন তাঁরা। মেয়ের পিছনে প্রায় ৬৫ হাজার টাকা ও ছেলের পিছনে প্রায় ৮০ হাজার টাকা খরচ করা হয়েছে। এরপর জমানো টাকা ফুরিয়ে যাওয়ায় প্রায় চারবছর ধরে আর ওদের চিকিৎসা করা যায়নি। নুর মহম্মদ বলেন, বাড়ি থেকে একটু দূরেই স্কুল রয়েছে। ছেলে মেয়েদের পড়ার ইচ্ছে খুব। প্রায়দিন আমাকে আদর করে স্কুল যাবে বলে জানায়। কিন্তু ওদের দেখাশুনার লোকের অভাবে কিছু করা যাচ্ছে না। ওদের স্কুলে নিয়ে যাওয়ার লোকও নেই। নুর মহম্মদের প্রার্থনা, তাঁর দুই সন্তানকে কেউ লেখাপড়া শেখানোর দায়িত্ব নিলে পরিবার উপকৃত হবে।
পরিবার সূত্রে জানানো হয়েছে, দু’জনের ক্ষেত্রেই একইভাবে প্রতিবন্ধী হওয়ার ঘটনা ঘটে। জন্মের কয়েকমাস পরেই হঠাৎ করে সামান্য কয়েকদিনের জ্বর। তারপরেই হাত পা বেঁকে যাওয়া থেকে প্রতিবন্ধী হয়ে পড়ার ঘটনা ঘটে। এরপর বহু ডাক্তার দেখিয়েও সুস্থ করা যায়নি ওদের। দুই প্রতিবন্ধী সন্তানের হাঁটার ক্ষমতা নেই। ভালো করে কথাও বলতে পারে না। নিজের হাতে তুলে ঠিকমতো খাওয়া দাওয়াও করতে পারে না। তবে দু’জনেরই লেখাপড়ার প্রতি ঝোঁক রয়েছে। অআকখ বই দুইজনেরই রয়েছে। অক্ষরগুলি অস্পষ্টভাবে উচ্চারণও করতে পারে দু’জনেই। স্কুলে যাওয়ার ইচ্ছেও চরম উভয়ের। কিন্তু ওদের স্কুলে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করতে অক্ষম পরিবার।
নায়েস বিবি বলেন, স্বামী দিনমজুরের কাজ করে কোনওমতে সংসার খরচ জোগাড় করেন। আমাকে পরিবারের তিনজনের সেবা করতেই সময় চলে যায়। তার উপর একটি গোরুও রয়েছে। ছেলে মেয়েদের স্কুলে যাওয়ার চরম ঝোঁক থাকলেও আমার সময় নেই। তাই কিছুই করা যাচ্ছে না।
পরিবার সূত্রে জানান হয়েছে, দুই সন্তানকে সুস্থ করার জন্য বহু ডাক্তার দেখিয়েছেন তাঁরা। মেয়ের পিছনে প্রায় ৬৫ হাজার টাকা ও ছেলের পিছনে প্রায় ৮০ হাজার টাকা খরচ করা হয়েছে। এরপর জমানো টাকা ফুরিয়ে যাওয়ায় প্রায় চারবছর ধরে আর ওদের চিকিৎসা করা যায়নি। নুর মহম্মদ বলেন, বাড়ি থেকে একটু দূরেই স্কুল রয়েছে। ছেলে মেয়েদের পড়ার ইচ্ছে খুব। প্রায়দিন আমাকে আদর করে স্কুল যাবে বলে জানায়। কিন্তু ওদের দেখাশুনার লোকের অভাবে কিছু করা যাচ্ছে না। ওদের স্কুলে নিয়ে যাওয়ার লোকও নেই। নুর মহম্মদের প্রার্থনা, তাঁর দুই সন্তানকে কেউ লেখাপড়া শেখানোর দায়িত্ব নিলে পরিবার উপকৃত হবে।



