নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ১২০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগে ইতিমধ্যেই মাল পুরসভার চেয়ারম্যান স্বপন সাহাকে দল থেকে সাসপেন্ড করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এবার দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের হওয়া জনস্বার্থ মামলায় রাজ্য পুর ও নগরোন্নয়ন এবং অর্থদপ্তরকে তদন্তের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার মামলাটির শুনানির পর প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম ও বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যর ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশে জানিয়েছে, চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগের তদন্ত করবেন পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরের প্রধান সচিব এবং অর্থদপ্তর। তিন মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে হবে।
Advertisement
এর আগে মালবাজার পুরসভার চেয়ারম্যান স্বপন সাহার বিরুদ্ধে সরাসরি অর্থ তছরূপের অভিযোগ করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন সুমন শিকদার নামে এক আইনজীবী। তাঁর অভিযোগ ছিল, ১২০ কোটিরও বেশি আর্থিক দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত স্বপন সাহা। মূলত আবাস যোজনার টাকা বণ্টনে কারচুপি হয়েছে বলে আদালতে দাবি করেছেন মামলাকারী।
যদিও এদিন মামলার শুনানিতে স্বপনের আইনজীবী তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, ভুয়ো নথি দিয়ে এই মামলা দায়ের করা হয়েছে। একাধিক তথ্য কারচুপি করে চেয়ারম্যানকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। এই ধরনের মামলা খারিজ করা হোক। এই বক্তব্যের স্বপক্ষে বেশ কিছু নথিও পেশ করেন স্বপনের আইনজীবী। যদিও মামলাকারীর আইনজীবী পাল্টা দাবি করেন,চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির সমস্ত নথি তাঁদের কাছে রয়েছে। এব্যাপারে ইতিমধ্যে পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরেও অভিযোগ জানানো হয়েছে। এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে রাজ্যের আইনজীবী বলেন, অভিযোগের প্রেক্ষিতে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তর। অর্থদপ্তরের তরফে অডিটের কাজ শুরু হয়েছে। রাজ্যের তরফে এই বক্তব্য শোনার পরই বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগের তদন্ত করবেন পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরের প্রধান সচিব এবং অর্থদপ্তর। তিনমাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে হবে।
যদিও এদিন মামলার শুনানিতে স্বপনের আইনজীবী তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, ভুয়ো নথি দিয়ে এই মামলা দায়ের করা হয়েছে। একাধিক তথ্য কারচুপি করে চেয়ারম্যানকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। এই ধরনের মামলা খারিজ করা হোক। এই বক্তব্যের স্বপক্ষে বেশ কিছু নথিও পেশ করেন স্বপনের আইনজীবী। যদিও মামলাকারীর আইনজীবী পাল্টা দাবি করেন,চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির সমস্ত নথি তাঁদের কাছে রয়েছে। এব্যাপারে ইতিমধ্যে পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরেও অভিযোগ জানানো হয়েছে। এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে রাজ্যের আইনজীবী বলেন, অভিযোগের প্রেক্ষিতে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তর। অর্থদপ্তরের তরফে অডিটের কাজ শুরু হয়েছে। রাজ্যের তরফে এই বক্তব্য শোনার পরই বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগের তদন্ত করবেন পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরের প্রধান সচিব এবং অর্থদপ্তর। তিনমাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে হবে।



