Bartaman Logo
১৫ আগস্ট, ২০২৬

তোলাবাজি-ভয় দেখালেই গ্রেপ্তার, বিজেপি নেতা-কর্মীদের হুঁশিয়ারি শমীকের

কোনো ‘আল্টিমেটাম’ নয়! তোলাবাজি করলে কিংবা আম জনতাকে ভয় দেখানোর মতো গুরুতর অভিযোগ উঠলেই এবার সরাসরি আইনি পদক্ষেপ করা হবে।

তোলাবাজি-ভয় দেখালেই গ্রেপ্তার, বিজেপি নেতা-কর্মীদের হুঁশিয়ারি শমীকের
  • ১৫ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

দিব্যেন্দু বিশ্বাস, নয়াদিল্লি; কোনো ‘আল্টিমেটাম’ নয়! তোলাবাজি করলে কিংবা আম জনতাকে ভয় দেখানোর মতো গুরুতর অভিযোগ উঠলেই এবার সরাসরি আইনি পদক্ষেপ করা হবে। এমনকি প্রয়োজনে গ্রেপ্তার পর্যন্ত করা হতে পারে অভিযুক্তকে। মূলত দলের নীচুতলার নেতাকর্মীদের জন্য আরো কঠোর অবস্থান নিতে চলেছে বঙ্গ বিজেপি। শুক্রবার দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য ‘বর্তমান’কে বলেছেন, ‘দল এসংক্রান্ত বিষয়ে সাংগঠনিকভাবে যা করার, তা ইতিমধ্যে করেছে। এবার পুরোটাই প্রশাসনিক স্তরে হবে। সেইমতো সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্যের বিজেপি সরকার। কোনো চরম হুঁশিয়ারি নয়, সরাসরি অভিযুক্তদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

Advertisement

রাজ্যে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এসেছে মাত্র তিন মাস আগে। এরই মধ্যে যেভাবে শাসকদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে কার্যত সর্বস্তরে তোলাবাজির অভিযোগ উঠেছে, তাতে নাজেহাল শমীকবাবুরা। বিষয়টিকে মোটেও হালকাভাবে নিচ্ছে না গেরুয়া শিবির। প্রথম থেকেই এব্যাপারে কড়া বার্তা দিয়েছেন রাজ্য সভাপতি শমীকবাবু।  কিন্তু এবার যেভাবে সরাসরি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ বা প্রয়োজনে গ্রেপ্তারির হুঁশিয়ারি দেওয়া হচ্ছে, তাতে দলীয় নেতা-কর্মীদের একটি বড়ো অংশের কাছেই কঠোর বার্তা যাবে। যদিও এতে কাজের কাজ কতটা হবে, তা নিয়ে সন্দিহান দলেরই একটি অংশ। 
তোলাবাজি, দুর্নীতি, দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গ সহ একাধিক অভিযোগে ইতিমধ্যেই প্রায় ১৫০ জন নেতাকর্মীকে শো-কজ করেছে বঙ্গ বিজেপি। বেশ কয়েকজনকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে আবার দলে ফিরিয়েও আনা হয়েছে শো-কজের সন্তোষজনক জবাব পাওয়ার পর। ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, এই সাংগঠনিক পদক্ষেপেরই উল্লেখ করতে চেয়েছেন শমীকবাবু। তবে রাজ্য বিজেপির শীর্ষ সূত্রে একইসঙ্গে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে, নীচুতলার যেসব নেতাকর্মীর নাম ইতিমধ্যেই তোলাবাজি কিংবা ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়ের মতো একাধিক দুর্নীতিতে জড়িয়েছে, তারা সকলেই যে গোড়া থেকে বিজেপির সঙ্গে যুক্ত নন। কিন্তু অতীত পরিচয় যাই বিভ্রান্তি থাকুক না কেন, অভিযুক্তরা প্রত্যেকেই যে বর্তমানে বিজেপি কর্মী, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। আর সেটিই ভাবাচ্ছে দলের রাজ্য নেতৃত্বকে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ