Bartaman Logo
৩১ মে, ২০২৬

প্রয়োজনে অপারেশন সিন্দুর ২.০, প্রস্তুত রয়েছে বাহিনী: সেনাপ্রধান

পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার পালটা ‘অপারেশন সিন্দুর’। আকশপথে হামলা চালিয়ে পকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরে একাধিক জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেয় ভারতীয় সেনাবাহিনী।

প্রয়োজনে অপারেশন সিন্দুর ২.০, প্রস্তুত রয়েছে বাহিনী: সেনাপ্রধান
  • ৩১ মে, ২০২৬ ০৪:০০

নয়াদিল্লি: পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার পালটা ‘অপারেশন সিন্দুর’। আকশপথে হামলা চালিয়ে পকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরে একাধিক জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেয় ভারতীয় সেনাবাহিনী। ঘটনার এক বছর পেরোলেও সীমান্ত সন্ত্রাস পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। বড়োসড়ো আঘাত পেয়েও থামেনি পাকিস্তানের আস্ফালন।  এ ব্যাপারে পাকিস্তানকে একাধিক হুঁশিয়ারি দিয়েছে ভারত। এবার ভারতীয় সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদী জানালেন, প্রয়োজন হলে ‘অপারেশন সিঁদুর ২.০’ হবে। এর জন্য ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী প্রস্তুত। তাঁর কথায়, আধুনিক যুদ্ধ আর শুধু স্থল, জল ও আকাশে সীমাবদ্ধ নয়। ভবিষ্যতের সংঘাত মহাকাশ, সাইবার ও মনস্তাস্ত্বিক ক্ষেত্রেও বিস্তৃত হবে। 

Advertisement

ন্যাশনাল ডিফেন্স অ্যাকাডেমির (এনডিএ) ১৫০তম কোর্সের পাসিং-আউট প্যারেডের ফাঁকে সেনাপ্রধান জানান, বর্তমানে যে যুদ্ধবিরতি চলছে তা সাময়িক। পরবর্তী পর্যায়ের জন্য তিন বাহিনীই নিবিড় প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছে।
অপারেশন সিন্দুর শেষ হয়নি। এমনটা আগেও স্পষ্ট করেছে ভারতীয় সেনা। জেনারেল দ্বিবেদী সে কথা মনে করিয়ে বলেন, ‘আজকের দিনে যুদ্ধক্ষেত্র ২৪ ঘণ্টাই পর্যবেক্ষণের আওতায় থাকে। তাই আমাদের প্রতিটি পদক্ষেপ অত্যন্ত পরিকল্পিত ও সুরক্ষিত হতে হবে। আমরা শত্রুদের প্রতি মুহূর্তের অবস্থান নজরে রেখেছি। তাই বাহিনী মোতায়েনের ক্ষেত্রে আমরা সতর্ক। সীমান্ত এলাকায় বাহিনী ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার দিকটিতেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।’
অপারেশন সিন্দুর ভারতের দৃঢ় সংকল্প এবং সশস্ত্র বাহিনীর নির্ভুল ও পরিমিত আঘাত হানার সক্ষমতাকে তুলে ধরেছে বলেও মন্তব্য করেন সেনাপ্রধান। এরপরই সেনাবাহিনীর আধুনিকীকরণের প্রসঙ্গও উঠে আসে তাঁর বক্তব্যে। জেনারেল দ্বিবেদি জানান, ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত বাহিনী হিসেবে রূপান্তরিত করা হচ্ছে সেনাকে। এই রূপান্তরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেশীয় প্রযুক্তিনির্ভর ড্রোন ব্যাটালিয়ন, শক্তিমান রেজিমেন্ট, ভৈরব ব্যাটালিয়নসহ একাধিক আধুনিক ইউনিট গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি তথ্য ও নেটওয়ার্ক-কেন্দ্রিক যুদ্ধব্যবস্থার উপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। ড্রোন প্রযুক্তির ব্যবহার প্রসঙ্গে জেনারেল দ্বিবেদী বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরেই ‘ইগল অন দ্য আর্ম’ ধারণার কথা বলে আসছেন। এর অর্থ, প্রত্যেক সেনা জওয়ান নিজেই একটি ড্রোন পরিচালনা করতে সক্ষম হবেন। তিনি জানান, সেনা প্রশিক্ষণ শিবিরগুলিতে ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি শুরু হয়েছে গিয়েছে।

সম্পর্কিত সংবাদ