নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: পিএইচইর ট্যাপ বসলেও জল পড়ছে না। কোথাও আবার ট্যাপ বসেনি। দীর্ঘদিন ধরে আরামবাগের আরান্ডি-১ পঞ্চায়েতের বিভিন্ন গ্রামে জলকষ্টে ভুগছেন বাসিন্দারা। প্রশাসনের কাছে এব্যাপারে জানিয়েও কাজ হয়নি। বুধবার প্রশাসনের আধিকারিকরা ওই এলাকায় তদন্তে গেলে বাসিন্দারা তাঁদের কাছে এব্যাপারে আর্জি জানান। প্রশাসন বিকল্প ব্যবস্থার আশ্বাস দিয়েছে।
Advertisement
জানা গিয়েছে, পিএইচইর জল সেচের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। এমন একটি অভিযোগ পেয়ে এদিন মহকুমা শাসক রবি কুমার, আরামবাগ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শিশির সরকার, বিডিও সুব্রত মল্লিক ও আরান্ডি-১ পঞ্চায়েতের প্রধান পরিদর্শনে যান। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শিশিরবাবু বলেন, পিএইচইর জল সেচের কাজে ব্যবহারের অভিযোগ পেয়ে সরেজমিন তদন্ত করতে যাওয়া হয়। কিন্তু বিভিন্ন দিক ঘুরে, মানুষের সঙ্গে বলে ওই অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। তবে পানীয় জল পাওয়া নিয়ে অনেকে সমস্যার কথা জানিয়েছেন। দ্রুত সেই সমস্যা সমাধানের ব্যবস্থা করা হবে। এজন্য অতিরিক্ত একটি পাম্প বসানোর পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।
এলাকার বাসিন্দা সাহানা খাতুন বলেন, বছর খানেক আগে বাড়িতে পানীয় জলের ট্যাপ বসেছিল। কিন্তু এখন তা দিয়ে জল পড়ে না। গ্রামে সজলধারার জল প্রকল্প রয়েছে। সেখান থেকে পানীয় জল নিতে বাসিন্দাদের মধ্যে হুড়োহুড়ি হয়। তাই অবিলম্বে ট্যাপে জল পড়ার ব্যবস্থা করা হোক। অপর এক বাসিন্দা মির্জা সুরজ বলেন, আমাদের বাড়িতে ট্যাপের জল পড়ে। কিন্তু সংলগ্ন এলাকাগুলির একাংশে জল পড়ছে না। তারফলে সমস্যা হয়। পঞ্চায়েত প্রধান তেকদিরা খাতুন বলেন, কয়েকটি পাড়ায় পিএইচই জল পড়ছে না। সেই সমস্যার কথা প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের জানানো হয়েছে। তাঁরা আশ্বাস দিয়েছেন।
এলাকার বাসিন্দা সাহানা খাতুন বলেন, বছর খানেক আগে বাড়িতে পানীয় জলের ট্যাপ বসেছিল। কিন্তু এখন তা দিয়ে জল পড়ে না। গ্রামে সজলধারার জল প্রকল্প রয়েছে। সেখান থেকে পানীয় জল নিতে বাসিন্দাদের মধ্যে হুড়োহুড়ি হয়। তাই অবিলম্বে ট্যাপে জল পড়ার ব্যবস্থা করা হোক। অপর এক বাসিন্দা মির্জা সুরজ বলেন, আমাদের বাড়িতে ট্যাপের জল পড়ে। কিন্তু সংলগ্ন এলাকাগুলির একাংশে জল পড়ছে না। তারফলে সমস্যা হয়। পঞ্চায়েত প্রধান তেকদিরা খাতুন বলেন, কয়েকটি পাড়ায় পিএইচই জল পড়ছে না। সেই সমস্যার কথা প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের জানানো হয়েছে। তাঁরা আশ্বাস দিয়েছেন।



