নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: আরামবাগে অবৈধভাবে পুকুর ভরাট রুখল পুলিস। শুক্রবার আরামবাগ পুরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের মিঞা পাড়া সংলগ্ন এলাকার ওই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। অবৈধভাবে পুকুর ভরাট করে যেখানে নির্মাণকাজ চলছিল, তার কাছেই ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের অফিস রয়েছে। পুলিস এদিন ওই নির্মাণ কাজ বন্ধ করে। খবর পেয়ে ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের অধিকারিকরাও যান। পুলিস বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য ভূমিদপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছে। পুলিসের এক আধিকারিক বলেন, সংশ্লিষ্ট নির্মাণকারীকে প্রয়োজনীয় নথি দেখাতে বলা হয়েছে।
Advertisement
আরামবাগ ব্লক ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের আধিকারিক শর্মিষ্ঠা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এই ঘটনা নিয়ে আমাদের কাছে কোনও লিখিত অভিযোগ আসেনি। মহকুমা ভূমি ও ভূমি সংস্কার আধিকারিকের মৌখিক নির্দেশমতো সংশ্লিষ্ট নির্মাণকারীকে প্রয়োজনীয় নথি নিয়ে শুনানিতে আসতে বলা হয়েছে। তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, মিঞা পাড়া এলাকায় ওই পুকুরটি দীর্ঘদিন ধরেই রয়েছে। সেই পুকুরের একাংশ ভরাট করে নির্মাণ কাজ করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ। ওই নির্মাণকাজের জেরে পরিবেশের ভারসাম্য বিঘ্নিত হতে পারে বলে দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের। ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার হাসান আলি চৌধুরী বলেন, ওই এলাকায় পুকুর ভরাট করে নির্মাণের অভিযোগ পেয়ে দেখতে যাই। কাজ স্থগিত রাখতে বলেছিলাম। তারপরেও হচ্ছিল। এদিন শুনলাম, পুলিস গিয়ে তা বন্ধ করেছে। পুলিস প্রশাসন সব দিক খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নিক। -নিজস্ব চিত্র
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, মিঞা পাড়া এলাকায় ওই পুকুরটি দীর্ঘদিন ধরেই রয়েছে। সেই পুকুরের একাংশ ভরাট করে নির্মাণ কাজ করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ। ওই নির্মাণকাজের জেরে পরিবেশের ভারসাম্য বিঘ্নিত হতে পারে বলে দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের। ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার হাসান আলি চৌধুরী বলেন, ওই এলাকায় পুকুর ভরাট করে নির্মাণের অভিযোগ পেয়ে দেখতে যাই। কাজ স্থগিত রাখতে বলেছিলাম। তারপরেও হচ্ছিল। এদিন শুনলাম, পুলিস গিয়ে তা বন্ধ করেছে। পুলিস প্রশাসন সব দিক খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নিক। -নিজস্ব চিত্র



