সংবাদদাতা, আরামবাগ: আরামবাগ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্কে রক্ত সঙ্কট দেখা দেওয়ায় বিপাকে পড়েছেন রোগী ও পরিজনরা। বর্তমানে আরামবাগ মহকুমাজুড়ে রক্তদান শিবির তেমন না হওয়ায় এই সঙ্কট দেখা দিয়েছে। ফলে এখন রক্তের প্রয়োজন হলে ডোনার নিয়ে এলে তবেই মিলছে রক্ত। এতে বিপাকে পড়েছেন হাসপাতাল ও বেসরকারি নার্সিংহোমে থাকা রোগী ও তাদের আত্মীয় পরিজনরা। তাঁরা বলেন, হাসপাতালের ব্লাডব্যাঙ্কে রিক্যুইজিশন জমা দেওয়ার পরও প্রয়োজনীয় রক্ত পাচ্ছি না। বেশিরভাগ সময় আমাদের ডোনার নিয়ে আসতে বলছে। আমরা কোথা থেকে ডোনার জোগাড় করব বুঝতে পারছি না। খুবই সমস্যার মধ্যে পড়েছি। এই প্রসঙ্গে ব্লাডব্যাঙ্কের এক কর্মী বলেন, আরামবাগ মহকুমা জুড়ে রক্তদান শিবির কম হওয়ায় রক্তের সঙ্কট দেখা দিয়েছে। এখন এদিক ওদিক থেকে রক্ত জোগাড় করে ব্লাডব্যাঙ্ক চালাতে হচ্ছে। আমরা বিভিন্ন ক্লাব, সংস্থা ও রাজনৈতিক দলগুলিকে রক্তদান শিবির করার জন্য অনুরোধ করছি।
Advertisement
স্থানীয় ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, আরামবাগ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে বর্তমানে গড়ে ৫০০ থেকে ৭০০ জন রোগী চিকিৎসা করাতে আসে। হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগে প্রতিদিন রোগী ভর্তির সংখ্যা গড়ে ২৫০ থেকে ৩০০ জন। তবে থ্যালাসেমিয়া রোগীদের জন্য আলাদাভাবে রক্ত সঞ্চয় করে রাখতেই হয়। তারপর জরুরি প্রয়োজনে যেমন সিজার, দুর্ঘটনাজনিত কারণ ও ডায়ালিসিসের জন্য রক্তের প্রয়োজন হয়। এছাড়াও পার্শ্ববর্তী নার্সিংহোমগুলি রোগীর প্রয়োজনীয় রক্তের জন্য এই মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ব্লাডব্যাঙ্কের উপরই নির্ভরশীল।
এখন ব্লাডব্যাঙ্ক থেকে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৭৫ ইউনিট রক্ত দিতে হয়। কিন্তু, বর্তমানে সেভাবে রক্তদান শিবির না হওয়ায় বাধ্য হয়ে রোগীর আত্মীয়দের একই গ্রুপের ডোনার আনতে বলা হচ্ছে। আর এই একই গ্রুপের ডোনার খুঁজতে কালঘাম ছুটছে রোগীর আত্মীয়দের।। যদিও অনেক সময় স্থানীয় যুবক ও অ্যাম্বুলেন্স চালকরা রক্ত দিয়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন, কিন্তু তা খুবই কম। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে অধিকাংশ দিনই ব্ল্যাডব্যাঙ্ক থেকে ৩০ ইউনিটের বেশি রক্ত জোগান দেওয়া যাচ্ছে না।
এই বিষয়ে ব্লাডব্যাঙ্কের এক কর্মী বলেন, আমাদের অন্তর্বিভাগে দৈনিক গড়ে ৪০ ইউনিট রক্ত লাগে। প্রতিদিন ১২ থেকে ১৫ জন থ্যালাসেমিয়া রোগী রক্ত নিতে ভর্তি হয়। সব থেকে বেশি সঙ্কট এবি নেগেটিভ গ্রুপের রক্তের। সঙ্কট কাটাতে স্বাস্থ্য দপ্তরের নির্দেশে বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রের চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মীদের নিয়ে রক্তদান শিবির করা হচ্ছে।
এখন ব্লাডব্যাঙ্ক থেকে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৭৫ ইউনিট রক্ত দিতে হয়। কিন্তু, বর্তমানে সেভাবে রক্তদান শিবির না হওয়ায় বাধ্য হয়ে রোগীর আত্মীয়দের একই গ্রুপের ডোনার আনতে বলা হচ্ছে। আর এই একই গ্রুপের ডোনার খুঁজতে কালঘাম ছুটছে রোগীর আত্মীয়দের।। যদিও অনেক সময় স্থানীয় যুবক ও অ্যাম্বুলেন্স চালকরা রক্ত দিয়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন, কিন্তু তা খুবই কম। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে অধিকাংশ দিনই ব্ল্যাডব্যাঙ্ক থেকে ৩০ ইউনিটের বেশি রক্ত জোগান দেওয়া যাচ্ছে না।
এই বিষয়ে ব্লাডব্যাঙ্কের এক কর্মী বলেন, আমাদের অন্তর্বিভাগে দৈনিক গড়ে ৪০ ইউনিট রক্ত লাগে। প্রতিদিন ১২ থেকে ১৫ জন থ্যালাসেমিয়া রোগী রক্ত নিতে ভর্তি হয়। সব থেকে বেশি সঙ্কট এবি নেগেটিভ গ্রুপের রক্তের। সঙ্কট কাটাতে স্বাস্থ্য দপ্তরের নির্দেশে বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রের চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মীদের নিয়ে রক্তদান শিবির করা হচ্ছে।



