নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: গত বছর আরামবাগ শহরে ২৩জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছিলেন। এবার এখনও পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ছয়। গত বছরের তুলনায় এবার ডেঙ্গুর প্রকোপ অনেকটাই কমেছে। পুরসভার দাবি, সচেতনতা প্রচার করে এই মশাবাহিত রোগের প্রকোপ কমানো নিয়েছে। তবে চলতি মাসেই শহরে নতুন করে দু’জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন। তাই এবার বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিতে উদ্যোগী হয়েছে পুরসভা ও প্রশাসন।
Advertisement
বৃহস্পতিবার আরামবাগ হাইস্কুল মাঠ থেকে ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে শোভাযাত্রা শুরু হয়। শহরের বাজার হয়ে মহকুমা শাসকের অফিসের সামনে তা শেষ হয়। শোভাযাত্রার পাশাপাশি স্কুলপড়ুয়ারা ডেঙ্গু রোধে পথনাটিকার আয়োজন করে। তা দেখতেও এলাকার বাসিন্দারা ভিড় জমান। আরামবাগ পুরসভার চেয়ারম্যান সমীর ভাণ্ডারী বলেন, গত বছরের তুলনায় শহরে ডেঙ্গু কমেছে। এই রোগ প্রতিরোধে আমাদের টিম সজাগ। আক্রান্তদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হচ্ছে। তাঁরা বেশিরভাগই বাইরে থেকে এসেছেন। যাঁরা হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন, সম্প্রতি তাঁদের ছেড়েও দিয়েছেন চিকিৎসকরা। ডেঙ্গু মোকাবিলায় এদিন র্যালি হয়েছে।
চলতি বছর জুলাই মাসে ১০ নম্বর ওয়ার্ডে একজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন। সেপ্টেম্বর মাসে ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে একজন আক্রান্ত হয়েছিলেন। অক্টোবরে ২ নম্বর ওয়ার্ডে একজন ও ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে আরও একজন আক্রান্ত হন। চলতি নভেম্বর মাসে ৩ ও ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে একজন করে আক্রান্ত হয়েছেন। অর্থাৎ এখনও অবধি ছয়জন আক্রান্ত হয়েছেন। গতবছরে আক্রান্ত হয়েছিলেন ২৩জন। পুরসভার এক আধিকারিক বলেন, এবছর ছয়জন আক্রান্ত হলেও এখন দু’জন অ্যাক্টিভ রোগী রয়েছেন। তাঁদের আটদিন ফলো আপ করা হচ্ছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে বাড়ি বাড়ি সমীক্ষার জন্য পুরসভা টিম গঠন করেছে। কারও জ্বরের উপসর্গ আছে কি না, বাড়িতে কোনও খোলা পাত্রে জল জমে আছে কি না, তা টিমের সদস্যরা খতিয়ে দেখছেন। ডেঙ্গু প্রতিরোধে মানুষকে লাগাতার সচেতন করা হচ্ছে।
চলতি বছর জুলাই মাসে ১০ নম্বর ওয়ার্ডে একজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন। সেপ্টেম্বর মাসে ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে একজন আক্রান্ত হয়েছিলেন। অক্টোবরে ২ নম্বর ওয়ার্ডে একজন ও ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে আরও একজন আক্রান্ত হন। চলতি নভেম্বর মাসে ৩ ও ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে একজন করে আক্রান্ত হয়েছেন। অর্থাৎ এখনও অবধি ছয়জন আক্রান্ত হয়েছেন। গতবছরে আক্রান্ত হয়েছিলেন ২৩জন। পুরসভার এক আধিকারিক বলেন, এবছর ছয়জন আক্রান্ত হলেও এখন দু’জন অ্যাক্টিভ রোগী রয়েছেন। তাঁদের আটদিন ফলো আপ করা হচ্ছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে বাড়ি বাড়ি সমীক্ষার জন্য পুরসভা টিম গঠন করেছে। কারও জ্বরের উপসর্গ আছে কি না, বাড়িতে কোনও খোলা পাত্রে জল জমে আছে কি না, তা টিমের সদস্যরা খতিয়ে দেখছেন। ডেঙ্গু প্রতিরোধে মানুষকে লাগাতার সচেতন করা হচ্ছে।



