নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: ভবিষ্যতে কংগ্রেস, সিপিএম, তৃণমূল, সমাজবাদী পার্টি প্রভৃতি কোনো দলই থাকবে না, থাকবে কেবল হিন্দু আর মুসলমানের একটি করে দল। গান্ধীজয়ন্তীতে বারাকপুর গান্ধীঘাটে এমনই ভবিষ্যৎবাণী করলেন রাজ্যের মন্ত্রী অর্জুন সিং। ওইসঙ্গে সিপিএমের উদ্দেশে তাঁর বার্তা, ‘পুজোমণ্ডপের সামনে স্টল দিলে মুখ্যমন্ত্রী যেমন বলেছেন তেমনই করতে হবে—‘শারদোৎসব’ লেখা যাবে না, লিখতে হবে ‘দুর্গোৎসব’! প্রথমে করজোড়ে অনুরোধ করব, তারপর যা হওয়ার হবে।’
এদিন গান্ধীঘাটে শ্রদ্ধা জানাতে আসেন রাজ্যপাল আর এন রবি, মন্ত্রী অর্জুন সিং ও কল্যাণ চক্রবর্তী, ভাস্কর ভট্টাচার্য, কৌস্তভ বাগচি প্রমুখ।
গান্ধীকে শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অর্জুন বলেন, ‘আমাদের সরকার উন্নয়নের জন্য কাজ করছে। তৃণমূল বলে কিছু থাকবে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর ভাইপোকে টাকা কামানোর মেশিন হিসাবে তৈরি করেছেন। ইডির প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। আগামী দিনে অন্যকোনো রাজনৈতিক দল থাকবে না—শুধু থাকবে হিন্দুদের একটি দল মানে বিজেপি আর থাকবে মুসলমানদের একটি দল। বাকি কোনো রাজনৈতিক দলের অস্তিত্ব আর থাকবে না।’
স্থানীয় সাংসদ পার্থ ভৌমিককে তৃণমূল নেতারা ‘অভিনেতা’ বলে কটাক্ষ করছেন। এই প্রসঙ্গে অর্জুনের প্রতিক্রিয়া, ‘আমি বলতে পারব না। তৃণমূল নেতারা জানেন। তবে একথা ঠিকই যে পার্থকে দেখা যাচ্ছে না।’
জ্ঞানেশ কুমার প্রসঙ্গে বিজেপির বিধায়ক এবং মন্ত্রীরা তাঁর ভূয়সী প্রশংসা করেন। মন্ত্রী কল্যাণ চক্রবর্তী বলেন, ‘মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার ছিলেন বলেই বাংলার মানুষ গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে পেরেছেন।’ বারাকপুরের বিধায়ক কৌস্তুভ বাগচি একধাপ এগিয়ে বলেন, ‘জ্ঞানেশ কুমার অনেক অবৈধ ভোটারের নাম বাদ দিয়েছেন। তাঁকে ‘ভারতরত্ন’ দেওয়া উচিত।’