Bartaman Logo
৬ আগস্ট, ২০২৬

সীমান্ত-সমস্যা মেটাতে এবার জমি বিনিময়ের পথে ভারত-মায়ানমার? আলোচনা চলছে: বিদেশমন্ত্রক

কয়েক দশকের পুরানো সীমান্ত সমস্যা মিটিয়ে ফেলতে চলেছে ভারত ও মায়ানমার। মণিপুর সহ একাধিক রাজ্যে ভূমি বিনিময়ের মাধ্যমে এই সমাধান হতে পারে বলে ইতিমধ্যেই জল্পনা ছড়িয়েছে।

সীমান্ত-সমস্যা মেটাতে এবার জমি বিনিময়ের পথে ভারত-মায়ানমার? আলোচনা চলছে: বিদেশমন্ত্রক
  • ৬ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: কয়েক দশকের পুরানো সীমান্ত সমস্যা মিটিয়ে ফেলতে চলেছে ভারত ও মায়ানমার। মণিপুর সহ একাধিক রাজ্যে ভূমি বিনিময়ের মাধ্যমে এই সমাধান হতে পারে বলে ইতিমধ্যেই জল্পনা ছড়িয়েছে। মঙ্গলবার এই বিষয়ে ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেছেন, ‘দুই দেশের সীমান্তের বেশ কিছু অংশ নিয়ে সমস্যা রয়েছে। তা মিটিয়ে ফেলার জন্য আলোচনা চলছে।’ 

Advertisement

গত ১৭ জুলাই মার্কিন পত্রিকা দ্য ডিপ্লোম্যাট দাবি করেছিল, মণিপুর সীমান্তের ৬৫ থেকে ৬৮ নম্বর পিলারের মধ্যবর্তী সীমানা নির্ধারণের জন্য ১.৪ বর্গমাইল এলাকা বিনিময়ের প্রস্তাব পর্যালোচনা করছে নয়াদিল্লি। দুই পিলারের দূরত্ব ২.৮ কিলোমিটার। গত ২৬ মে তারিখের একটি ‘আধিকারিক নথি’র কথা উল্লেখ করে আরও দাবি করা হয়েছে, আগস্ট মাস নাগাদ এই সীমানা নির্ধারণ সম্পূর্ণ হবে। ভারত ও মায়ানমারের মোট সীমান্ত ১ হাজার ৬৪৩ কিলোমিটার। অরুণাচল প্রদেশ, নাগাল্যান্ড, মণিপুর ও মিজোরামে রয়েছে এই আন্তর্জাতিক সীমান্ত। বেশিরভাগ এলাকাই পাহাড়ি ও জঙ্গলাকীর্ণ। দুর্গম ও অরক্ষিত হওয়ায় এই সীমান্তে অনুপ্রবেশও অনেকটাই সহজ। পাশাপাশি স্থানীয় বহু জনজাতিই ঐতিহাসিকভাবে দু’দেশেই বসবাস করছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, ১ হাজার ৪৭২ কিলোমিটার সীমান্ত ইতিমধ্যেই নির্ধারিত হয়েছে। ১৭১ কিলোমিটার নিয়ে এখনো মতবিরোধ রয়েছে। এই এলাকাগুলি মূলত অরুণাচল প্রদেশের লোহিত সেক্টর ও মণিপুরের কাবাও উপত্যকায় অবস্থিত। দ্য ডিপ্লোম্যাটে দাবি করা হয়েছে, মূলত অনুপ্রবেশ ও অপরাধ ঠেকাতেই এই সীমান্ত নির্ধারণ করতে চায় ভারত। গতমাসে সেদেশের নেতা মিন অং হলাংয়ের ভারত সফরের সময় এই বিষয়টি নিয়ে দু’পক্ষের আলোচনা হয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ