নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: রেলের যাত্রী সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিয়ে আরও উদ্বেগজনক তথ্য সামনে এল। ঠিকমতো রক্ষণাবেক্ষণই হচ্ছে না বিভিন্ন রেল কোচের? ক্যাগের সাম্প্রতিক একটি রিপোর্টকে কেন্দ্র করে এই প্রশ্নে তুমুল জল্পনার সৃষ্টি হয়েছে। যত কোচের রক্ষণাবেক্ষণ প্রয়োজন, তার প্রায় অর্ধেক সংশ্লিষ্ট ওয়ার্কশপে পাঠানো হয়েছে নির্ধারিত সময়সীমার তিন মাসেরও পর। সম্প্রতি সংসদে এই সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট পেশ করেছে ক্যাগ। সেখানেই রেলের পূর্ব উপকূলীয় (ইস্ট কোস্ট রেলওয়ে) জোনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক সব অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে। ভুবনেশ্বর, পুরী, সম্বলপুর, বিশাখাপত্তনম - পূর্ব উপকূলীয় রেলওয়ে জোনের এই চারটি ডিপোর বিরুদ্ধে ভূরি ভূরি অভিযোগ উঠেছে। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, রেলের বাকি জোনগুলিতে তাহলে কী পরিস্থিতি? সেখানে কি অবস্থা আরও গুরুতর? রেল যাত্রীদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে ট্রেন কোচের এই রক্ষণাবেক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আদতে এর টেকনিক্যাল পরিভাষা হল, পিওএইচ অথবা ‘পিরিয়ডিক ওভারহল’। সময়ে সময়ে নিয়মিতভাবে রেল কোচের এই রক্ষণাবেক্ষণ না হলে যেকোনও মুহূর্তে ঘটে যেতে পারে বড়সড় দুর্ঘটনা। ফলে এই ইস্যুতে আশঙ্কা ক্রমশ তীব্র হচ্ছে রেল যাত্রীদের মধ্যে। সংশ্লিষ্ট ক্যাগ রিপোর্টে ২০২০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত সময়সীমার উল্লেখ করা হয়েছে।



