অভিষেক পাল, বহরমপুর: হরিহরপাড়ায় খারিজি মাদ্রাসায় জঙ্গি-যোগ প্রমাণ হতেই উদ্বেগ ছড়িয়েছে গোটা মুর্শিদাবাদেই। কারণ একটাই—জেলার একাধিক প্রত্যন্ত গ্রামে এই ধরনের মাদ্রাসা গজিয়ে ওঠা। ওইসব মাদ্রাসা থেকে জেহাদির পাঠদানের সম্ভবনাও উড়িয়ে দিচ্ছে না বিভিন্ন মহল। স্বভাবতই জেলা প্রশাসনের মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে সেগুলি।
Advertisement
জানা গিয়েছে, আরবি পড়ানোর নামে এলাকার শিশুদের ওইসব খারিজি মাদ্রাসায় নিয়ে আসা হচ্ছে। মাদ্রাসা বলতে এক কিংবা দুই কামরা বিশিষ্ট ঘর। অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ। সেখানে পড়াচ্ছেন গ্রামেরই কিছু শিক্ষক। তাঁরা কি আদৌ কোনও শিক্ষা দিচ্ছেন না কি, মগজধোলাই করছেন? সেই প্রশ্ন হরিহরপাড়া কাণ্ডের পর উঠতে শুরু করেছে। এতদিন বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের মাথা না ঘামালেও এবার নজরদারিতে জোর দেওয়া হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।
জেলা প্রশাসনের তথ্য বলছে, জেলায় সরকার পোষিত বা সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত মাদ্রাসা ১০৬টি। এরমধ্যে ২১টি হাই মাদ্রাসা। একটি ইংরেজি মাধ্যমেরও মাদ্রাসা রয়েছে। প্রতিবছর এইসব মাদ্রাসা থেকে পড়ুয়ারা পাশ করে বিভিন্ন ক্ষেত্রে জেলার নাম উজ্জ্বল করেছেন। এখনও করছেন। এ ছাড়াও জেলায় ৭২টি এমএসকে, সরকার অনুমোদিত ৪৮টি মাদ্রাসাও রয়েছে। গত বছর আরও ১০টি মাদ্রাসা খোলার অনুমোদন দেয় রাজ্য। ফলে, সংখ্যাটি দাঁড়িয়েছে ৫৮টিতে। তবে, ৭০টি’রও বেশি মাদ্রাসা অনুমোদন চেয়েছিল সরকারের কাছে। খতিয়ে দেখার পর ওই ১০টি মাদ্রাসাকে অনুমোদন দেওয়া হয়। বাকি আবেদনগুলিও খতিয়ে দেখার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ধীরে ধীরে সেগুলিরও অনুমোদন আসবে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক।
জেলা সংখ্যালঘু বিষয়ক দপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, এই খারিজি মাদ্রাসাগুলিতে কী হচ্ছে, তার দায়ভার মাদ্রাসা শিক্ষাদপ্তরের নেই। কে, কোথায়, কী ভাবে ১৫-২০টা ছেলে নিয়ে বসে পড়ছে, সেটা নজরদারিও সম্ভব নয়। খারিজি মাদ্রাসায় তো কোনও পড়াশোনা হয় না। আজ পর্যন্ত কোনও ছাত্র খারিজি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে আমাদের কাছে খবর নেই। তাই, পড়ুয়াদের অভিভাবকদের আগে এ ব্যাপারে সচেতন হতে হবে।
মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ তথা শিক্ষক শফিউজ্জামান শেখ বলেন, ‘সরকার পোষিত এবং সরকার অনুমোদিত বড় বড় বেশ কিছু মাদ্রাসা এই জেলায় মুসলিম শিক্ষার অগ্রগতি ঘটাচ্ছে। সেখানে কোথাও দু’একটি খারিজি মাদ্রাসায় কি হল, সেটা নিয়ে এখন জলঘোলা হচ্ছে। এটা ঠিক নয়। সুপরিকল্পিতভাবে মাদ্রাসা শিক্ষার বদনাম করার চেষ্টা চলছে। যারা জঙ্গি, তারা কোনও ধর্মের মানুষ নয়। তারা বিকৃত মানসিকতার মানুষ। এই জেলার মাদ্রাসা থেকে পড়ে বোর্ডের পরীক্ষায় রাজ্যের মধ্যে প্রথম ও দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে অনেক পড়ুয়া। মাদ্রাসার অধিকাংশ পড়ুয়া অনেকেই আজ সমাজের বিভিন্ন স্তরে সুপ্রতিষ্ঠিত।’
গত ১৭ ডিসেম্বর মুর্শিদাবাদে হরিহরপাড়ার বারুইপাড়া মোড়ের কাছে একটি খারিজি মাদ্রাসায় অভিযান চালায় অসম এসটিএফ। সেখানে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের অন্যতম জঙ্গি আব্বাস আলি সাত থেকে ১৩ বছর বয়সী নাবালকদের মগজধোলাই করত। তারপর থেকেই গোটা জেলা জুড়ে এই খারিজি মাদ্রাসা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। বেশ কিছু জায়গায় শাসকদলের নেতাদের মদতেই এই খারিজি মাদ্রাসা চলছে বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, পড়ুয়াদের অভিভাবকরা একটু সচেতন হলেই এই খারিজি মাদ্রাসায় পড়াশোনা আটকানো যাবে। জেলার প্রায় সমস্ত এলাকায় সরকারি মাদ্রাসা এবং সরকার অনুমোদিত মাদ্রাসা রয়েছে। সেগুলিতে পড়ুয়াদের ভর্তি করতে হবে। তবেই সঠিক শিক্ষা পাবে বাড়ির ছেলেমেয়েরা।
জেলা প্রশাসনের তথ্য বলছে, জেলায় সরকার পোষিত বা সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত মাদ্রাসা ১০৬টি। এরমধ্যে ২১টি হাই মাদ্রাসা। একটি ইংরেজি মাধ্যমেরও মাদ্রাসা রয়েছে। প্রতিবছর এইসব মাদ্রাসা থেকে পড়ুয়ারা পাশ করে বিভিন্ন ক্ষেত্রে জেলার নাম উজ্জ্বল করেছেন। এখনও করছেন। এ ছাড়াও জেলায় ৭২টি এমএসকে, সরকার অনুমোদিত ৪৮টি মাদ্রাসাও রয়েছে। গত বছর আরও ১০টি মাদ্রাসা খোলার অনুমোদন দেয় রাজ্য। ফলে, সংখ্যাটি দাঁড়িয়েছে ৫৮টিতে। তবে, ৭০টি’রও বেশি মাদ্রাসা অনুমোদন চেয়েছিল সরকারের কাছে। খতিয়ে দেখার পর ওই ১০টি মাদ্রাসাকে অনুমোদন দেওয়া হয়। বাকি আবেদনগুলিও খতিয়ে দেখার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ধীরে ধীরে সেগুলিরও অনুমোদন আসবে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক।
জেলা সংখ্যালঘু বিষয়ক দপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, এই খারিজি মাদ্রাসাগুলিতে কী হচ্ছে, তার দায়ভার মাদ্রাসা শিক্ষাদপ্তরের নেই। কে, কোথায়, কী ভাবে ১৫-২০টা ছেলে নিয়ে বসে পড়ছে, সেটা নজরদারিও সম্ভব নয়। খারিজি মাদ্রাসায় তো কোনও পড়াশোনা হয় না। আজ পর্যন্ত কোনও ছাত্র খারিজি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে আমাদের কাছে খবর নেই। তাই, পড়ুয়াদের অভিভাবকদের আগে এ ব্যাপারে সচেতন হতে হবে।
মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ তথা শিক্ষক শফিউজ্জামান শেখ বলেন, ‘সরকার পোষিত এবং সরকার অনুমোদিত বড় বড় বেশ কিছু মাদ্রাসা এই জেলায় মুসলিম শিক্ষার অগ্রগতি ঘটাচ্ছে। সেখানে কোথাও দু’একটি খারিজি মাদ্রাসায় কি হল, সেটা নিয়ে এখন জলঘোলা হচ্ছে। এটা ঠিক নয়। সুপরিকল্পিতভাবে মাদ্রাসা শিক্ষার বদনাম করার চেষ্টা চলছে। যারা জঙ্গি, তারা কোনও ধর্মের মানুষ নয়। তারা বিকৃত মানসিকতার মানুষ। এই জেলার মাদ্রাসা থেকে পড়ে বোর্ডের পরীক্ষায় রাজ্যের মধ্যে প্রথম ও দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে অনেক পড়ুয়া। মাদ্রাসার অধিকাংশ পড়ুয়া অনেকেই আজ সমাজের বিভিন্ন স্তরে সুপ্রতিষ্ঠিত।’
গত ১৭ ডিসেম্বর মুর্শিদাবাদে হরিহরপাড়ার বারুইপাড়া মোড়ের কাছে একটি খারিজি মাদ্রাসায় অভিযান চালায় অসম এসটিএফ। সেখানে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের অন্যতম জঙ্গি আব্বাস আলি সাত থেকে ১৩ বছর বয়সী নাবালকদের মগজধোলাই করত। তারপর থেকেই গোটা জেলা জুড়ে এই খারিজি মাদ্রাসা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। বেশ কিছু জায়গায় শাসকদলের নেতাদের মদতেই এই খারিজি মাদ্রাসা চলছে বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, পড়ুয়াদের অভিভাবকরা একটু সচেতন হলেই এই খারিজি মাদ্রাসায় পড়াশোনা আটকানো যাবে। জেলার প্রায় সমস্ত এলাকায় সরকারি মাদ্রাসা এবং সরকার অনুমোদিত মাদ্রাসা রয়েছে। সেগুলিতে পড়ুয়াদের ভর্তি করতে হবে। তবেই সঠিক শিক্ষা পাবে বাড়ির ছেলেমেয়েরা।



