Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

কালভার্টের দাবিতে ফের আরামবাগ-বন্দর রাজ্য সড়ক অবরোধ

কালভার্টের দাবিতে ফের আরামবাগ-বন্দর রাজ্য সড়ক অবরোধ
  • ৩ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: জল নিকাশির জন্য কালভার্টের দাবিতে ফের আরামবাগ বন্দর রাজ্য সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখালেন স্থানীয় বাসিন্দা ও চাষিরা। বুধবার সকালে আরামবাগের কাপশিট মোড় এলাকায় রাস্তা অবরোধ করা হয়। খবর পেয়ে আরামবাগ থানার পুলিস গিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিলে অবরোধ ওঠে। পূর্তদপ্তরের আরামবাগ মহকুমার এক ইঞ্জিনিয়ার বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। 

Advertisement

আরামবাগের বিডিও সুব্রত মল্লিক বলেন, বিষয়টি নিয়ে বিভাগীয় কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। এজন্য স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে আলোচনা ও বিশেষ এনকোয়ারিও করা হচ্ছে।স্থানীয় চাষি অমিত পাঁজা ও গৌতম মালিক বলেন, কাপশিট মোড় সংলগ্ন এলাকায় তাতারচক মৌজায় আমাদের কৃষি জমি ও বসত বাড়ি রয়েছে। বিগত কয়েক বছর ধরে বৃষ্টির জল ভালোভাবে বের না হওয়ায় কৃষিজমিগুলি জলমগ্ন হয়ে পড়ছে। এমনকী, অনেকের বাড়িতেও জল ঢুকে যাচ্ছে। তাই নতুন রাস্তা নির্মাণের আগে থেকেই আমরা জল নিকাশির জন্য চওড়া করে কালভার্টের দাবি জানিয়ে আসছি। কিন্তু, রাস্তার কাজ প্রায় শেষ হতে চললেও আমাদের দাবি মেনে কালভার্ট নির্মাণের কাজ এগয়নি। রাস্তার সেই অংশ অসমাপ্ত হয়ে রয়েছে। প্রশাসন যাতে এব্যাপারে আমাদের দাবি মেনে ব্যবস্থা নেয়, তাই এদিন অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখানো হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আরামবাগ-বন্দর রাজ্য সড়কের উপর কাপশিট এলাকার ওই নিকাশি ব্যবস্থাটি দীর্ঘদিনের প্রাচীন। বিশেষ পাইপ দিয়ে জল নিকাশের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু, জল নিকাশি পাইপের সামনে দিয়েই আবার পানীয় জলের পাইপও গিয়েছে। ফলে ওই নিকাশি ব্যবস্থা কার্যত বেহাল হয়ে পড়েছে। তারসঙ্গে কিছু অংশ মজেও গিয়েছে। তাই প্রত্যেক বছর বর্ষা এলেই চিন্তায় পড়ে যান এলাকার চাষি, বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা। তাই ওই অংশ চওড়া করে পর্যাপ্ত জল নিকাশি ব্যবস্থার দাবিতে এদিন বিক্ষোভ দেখান চাষিরা। খবর পেয়ে প্রশাসনের আধিকারিকরা এলাকা পরিদর্শনও করেন। উল্লেখ্য, দিনকয়েক আগে রামনগর কোলেপুকুর এলাকায় জল নিকাশির জন্য কালভার্টের দাবিতে অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান চাষিরা। এদিন ফের কাপশিট এলাকায় একই ইস্যুতে বিক্ষোভ চলে। চাষিদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন আগে প্রশাসনকে বিষয়টি জানানো হলেও এখনও সুরাহা হয়নি। প্রত্যেক বছর চাষে ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে। তাই দ্রুত এব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি তাঁরা জানিয়েছেন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ