নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আর জি করে কাণ্ডে ধৃত টালা থানার তদানীন্তন ওসি অভিজিৎ মণ্ডল ও প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ গ্রেপ্তার হওয়ার পর ৮৭ দিন পেরিয়ে গিয়েছে। তারপরেও তাঁরা কীভাবে তথ্য-প্রমাণ লোপাটে জড়িত, তা খুঁজে চলেছে সিবিআই। তাহলে কি এতদিনেও এজেন্সি যুক্তিগ্রাহ্য প্রমাণ জোগাড় করতে পারেনি? তাই নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে বিভিন্ন মহলে। যদিও আদালতে ৯০০ ঘণ্টার ফুটেজ বিশ্লেষণের তত্ত্ব তুলে ধরে ব্যর্থতা ঢাকতে মরিয়া কেন্দ্রীয় এজেন্সি।
Advertisement
আর জি করে অভয়া খুনের তদন্তে চলতি বছরের ১৪ সেপ্টম্বর সিবিআইয়ের হাতে গ্রেপ্তার হন টালা থানার প্রাক্তন ওসি অভিজিৎ মণ্ডল ও হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ। তাঁদের বিরুদ্ধে তথ্য-প্রমাণ লোপাটের অভিযোগ আনে সিবিআই। অভিজিৎবাবু কেন দেরি করে এফআইআর করলেন, প্রশ্ন ওঠে তা নিয়েও। কী কী তথ্য-প্রমাণ নষ্ট করেছেন তাঁরা, তা জানতে দু’জনের মোবাইল ফরেন্সিক পরীক্ষা করানো হয়। আর জি কর ও টালা থানার ফুটেজ ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের কাছে যায়। এর রিপোর্ট পেয়ে গিয়েছেন তদন্তকারী সংস্থা। তারপরও তাঁরা তদন্ত শেষ করে উঠতে পারেননি। নতুন কোনও তথ্য-প্রমাণও উঠে আসেনি কেন্দ্রীয় এজন্সির তদন্তে।
এর মাঝে জেল হেফাজত শেষে সোমবার শিয়ালদহ আদালতে হাজির করানো হয় অভিজিৎ মণ্ডল এবং সন্দীপ ঘোষকে। অভিযুক্ত পক্ষের আইনজীবীরা আদালতে জমা দেওয়া সিবিআইয়ের ফরওয়ার্ডিং রিপোর্ট তুলে ধরে বলেন। এজেন্সি জানিয়েছে, ভিডিও ফুটেজের ফরেন্সিক রিপোর্টের ভিত্তিতেই এই মামলায় সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন। অর্থাৎ অভিজিৎ বা সন্দীপকে জেরা করার প্রয়োজন নেই। তাহলে কেন তাঁদের আটকে রাখা হয়েছে? এদিন এই প্রশ্ন ওঠে। আর তথ্য-প্রমাণ নষ্টের কী প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে, তার সপক্ষে কী নথি জমা দেওয়া হয়েছে, জানতে চাওয়া হয় তাও। ফরওয়ার্ডিং রিপোর্টে এই সম্পর্কে একটা কথাও বলা হয়নি।
এরপরই সিবিআইয়ের আইনজীবী জানান, ফরেন্সিক রিপোর্ট আসার পর আটটি ক্যামেরায় রক্ষিত ফুটেজ খতিয়ে দেখার কাজ চলছে। ওই ফুটেজের ডিউরেশন ৯০০ ঘণ্টার। ২৪ ঘণ্টাই তা পরীক্ষার কাজ করছেন তদন্তকারীরা। এর মধ্যে অনেক রহস্য লুকিয়ে রয়েছে বলে তাঁদের দাবি। সময় লাগছে সেই কারণেই। এই কাজ শেষ হলেই জানা যাবে, কী কী তথ্য-প্রমাণ নষ্ট করা হয়েছে। সওয়াল শেষে বিচারক অভিজিৎ ও সন্দীপ—দু’জনকেই জেল হেফাজতে পাঠান।
এর মাঝে জেল হেফাজত শেষে সোমবার শিয়ালদহ আদালতে হাজির করানো হয় অভিজিৎ মণ্ডল এবং সন্দীপ ঘোষকে। অভিযুক্ত পক্ষের আইনজীবীরা আদালতে জমা দেওয়া সিবিআইয়ের ফরওয়ার্ডিং রিপোর্ট তুলে ধরে বলেন। এজেন্সি জানিয়েছে, ভিডিও ফুটেজের ফরেন্সিক রিপোর্টের ভিত্তিতেই এই মামলায় সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন। অর্থাৎ অভিজিৎ বা সন্দীপকে জেরা করার প্রয়োজন নেই। তাহলে কেন তাঁদের আটকে রাখা হয়েছে? এদিন এই প্রশ্ন ওঠে। আর তথ্য-প্রমাণ নষ্টের কী প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে, তার সপক্ষে কী নথি জমা দেওয়া হয়েছে, জানতে চাওয়া হয় তাও। ফরওয়ার্ডিং রিপোর্টে এই সম্পর্কে একটা কথাও বলা হয়নি।
এরপরই সিবিআইয়ের আইনজীবী জানান, ফরেন্সিক রিপোর্ট আসার পর আটটি ক্যামেরায় রক্ষিত ফুটেজ খতিয়ে দেখার কাজ চলছে। ওই ফুটেজের ডিউরেশন ৯০০ ঘণ্টার। ২৪ ঘণ্টাই তা পরীক্ষার কাজ করছেন তদন্তকারীরা। এর মধ্যে অনেক রহস্য লুকিয়ে রয়েছে বলে তাঁদের দাবি। সময় লাগছে সেই কারণেই। এই কাজ শেষ হলেই জানা যাবে, কী কী তথ্য-প্রমাণ নষ্ট করা হয়েছে। সওয়াল শেষে বিচারক অভিজিৎ ও সন্দীপ—দু’জনকেই জেল হেফাজতে পাঠান।



