Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

১০০ শতাংশ খরচে সফল বিধায়ক অপূর্ব সরকার

পাঁচবারের বিধায়ক। নিজের বিধায়ক তহবিলের টাকা এলাকাবাসীর জন্য গুনে গুনে খরচ করেন কান্দির অপূর্ব সরকার

১০০ শতাংশ খরচে সফল বিধায়ক অপূর্ব সরকার
  • ২৩ মার্চ, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

অভিষেক পাল, কান্দি: পাঁচবারের বিধায়ক। নিজের বিধায়ক তহবিলের টাকা এলাকাবাসীর জন্য গুনে গুনে খরচ করেন কান্দির অপূর্ব সরকার। ৩ কোটি ৩০ লক্ষ টাকার ফান্ড থেকে তিনি পানীয় জল, বিদ্যুৎ, নিকাশি, খেলার মাঠ সংস্কার, মাঠের পাঁচিল, পার্ক ও এলাকার সৌন্দর্যায়ন করেছেন। বিধায়ক তহবিলের অর্থ থেকে দু’টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত অ্যাম্বুলেন্স কান্দি পুরসভাকে কিনে দিয়েছেন। যার জন্য খরচ হয়েছে প্রায় ২৮ লক্ষ টাকা। এলাকার মুমূর্ষু রোগীদের নিয়ে হাসপাতালে যাতায়াতে সুবিধা হচ্ছে সাধারণ মানুষের। কান্দি পুরসভা ও পঞ্চায়েত এলাকায় ১৫০টির বেশি হাইমাস্ট লাইট ও মিনিমাস্ট লাইট লাগিয়ে আলোর সমস্যা দূর করেছেন বলে দাবি বিধায়কের।

Advertisement

এলাকার খেলার মাঠগুলিকে সুন্দর করে প্রাচীর দিয়ে ঘিরে সেগুলি কিশোর-কিশোরীদের খেলার উপযুক্ত করে তুলেছেন তৃণমূল বিধায়ক। যেমন, মহলন্দী বাজারডাঙা ফুটবল গ্রাউন্ডে বাউন্ডারি ওয়াল করা হয়েছে। যার জন্য খরচ হয়েছে ৯ লক্ষ ৬৪ হাজার টাকা। কান্দি সাব ডিভিশন হাসপাতালে বাইরে ওয়েটিং শেড এবং ওপিডি বিল্ডিংয়ের বাইরে রোগীর পরিজনদের বসার জন্য ছাউনি বানিয়ে দেওয়া হয়েছে। এলাকায় বিভিন্ন পার্ক এবং স্কুলের সৌন্দর্যায়নের জন্য নিজের তহবিল থেকে লক্ষ লক্ষ টাকার আর্থিক বরাদ্দ করেছেন বিধায়ক। সে সমস্ত কাজ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া যশহরীতে একটি ক্লাবে জিমের সামগ্রী দিয়েছেন বিধায়ক। সেখানে শরীরচর্চা করেন এলাকার যুবকরা। 
এছাড়া বিধানসভা এলাকার গুরুত্বপূর্ণ মোড় এবং পয়েন্টে উচ্চ বাতিস্তম্ভ লাগিয়ে সুরক্ষার ব্যবস্থা করেছেন। কান্দি পুলিশ স্টেশন, কান্দি রাজ হাইস্কুল, শ্যামসাগর, কুরবান মোড়, এসডিও অফিস মোড়, বন্ধনপুকুর এলাকায় ২০০ ওয়াটের হাইমাস্ট লাইট লাগানো হয়েছে। যার জন্য খরচ হয়েছে ৬ লক্ষ ১৮ হাজার টাকা। বিধায়কের দাবি, তাঁর তহবিলের টাকা এবং পুরসভার উদ্যোগে কান্দি শহরটি গত কয়েক বছরে সুন্দরভাবে সেজে উঠেছে। যদিও তারপরেও উন্নয়নের প্রশ্ন তুলছে বিরোধীরা। 
কান্দি ব্লক কংগ্রেসের সভাপতি নরোত্তম সিংহ বলেন, উন্নয়ন কী হয়েছে সাধারণ মানুষ দেখতেই পাচ্ছে। মানুষের চেয়ে তৃণমূল নেতাদেরই উন্নয়ন বেশি হয়েছে। এর জবাব মানুষ আগামী দিনে দেব। 
বিজেপির শহর সভানেত্রী বিনীতা রায় বলেন, এক কথায় বলতে চাই পরিবর্তন হবে। মানুষ পরিবর্তন চাইছে। মানুষের মানসিকতার পরিবর্তন হয়েছে। বিধায়ক তহবিলের টাকা রাস্তাঘাটে কতটা খরচ হয়েছে, এইসব লাইট লাগাতে কত খরচ এবং তার কী বিল হয়েছে, আর কী কাজ হয়েছে সবই আমাদের জানা আছে। পরিবর্তনের পর এসবের তদন্ত হবে। সাধারণ মানুষের সামনে সেগুলি তুলে ধরব। 
কান্দির বিদায়ী বিধায়ক তথা তৃণমূল প্রার্থীর অপূর্ব সরকার বলেন, মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং আমাদের সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কাজ বোঝেন। দলের সমস্ত বিধায়ককে দিয়ে কীভাবে কাজ করাতে হয়, তাঁরা জানেন। এত বছর ধরে কান্দি বিধানসভার বিধায়ক আমি। সাধারণ মানুষের দাবি মেনে, যে যে খাতে অর্থ ব্যয় করা প্রয়োজন সেগুলিকে আগে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। উন্নয়নের কাজ ধারাবাহিকভাবে করতে হয়। আমি স্বাস্থ্য, শিক্ষা, নিরাপত্তা, রাস্তাঘাট, নিকাশি, সৌন্দর্যায়ন সমস্ত দিকেই নজর দিয়েছি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ