নিজস্ব প্রতিনিধি, ৫ আগস্ট: মৌসুমী অক্ষরেখা রাজস্থান থেকে বিহার ও উত্তরবঙ্গের উপর দিয়ে নাগাল্যান্ড পর্যন্ত বিস্তৃত। পাশাপাশিএকটি ঘূর্ণাবর্ত এলাকা তৈরি হয়েছে উত্তর-পশ্চিম বিহার এলাকায়। আর এর জেরে রাজ্যে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টির পূর্বাভাস সব জেলাতেই। আজ, বুধবার উত্তরবঙ্গে এবং আগামীকাল দক্ষিণবঙ্গে অতি ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
আজ হালকা থেকে মাঝারি বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির হলুদ সর্তকতা রয়েছে সব জেলাতে। সঙ্গে থাকবে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিবেগে দমকা বাতাস। ভারী বৃষ্টি হতে পারে, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান এবং উত্তর ২৪ পরগনা জেলাতে।
বৃহস্পতিবার পশ্চিম মেদিনীপুর এবং বাঁকুড়াতে অতি ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কলকাতা সহ সাত জেলাতে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতার কথা জানিয়েছে হাওয়া অফিস। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পূর্ব বর্ধমান, কলকাতা, হাওড়া, হুগলি জেলাতে কয়েক জায়গায় বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে। শনিবার থেকে বৃষ্টি কমবে দক্ষিণবঙ্গে।
আজ উত্তরবঙ্গেও দুর্যোগের ঘনঘটা। সব জেলাতেই ভারী বৃষ্টির হলুদ সর্তকতা জারি করেছে আবহাওয়া দপ্তর। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার জেলাতে অতি বৃষ্টির কমলা সর্তকতা জারি করা হয়েছে। মালদা এবং দুই দিনাজপুর জেলাতে রয়েছে ভারী বৃষ্টির হলুদ সর্তকতা। ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিবেগে ঝড়ের সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে মালদা ও দুই দিনাজপুরে। বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গের অন্যান্য জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা কম থাকলেও, বিক্ষিপ্ত ভাবে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা জলপাইগুড়ি আলিপুরদুয়ারে। ভারী এবং অতি বৃষ্টিতে ধসের সম্ভাবনা থাকছে পার্বত্য এলাকায়। নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা। অতিবৃষ্টিতে নদীর জলস্তর বাড়তে পারে। তিস্তা, তোর্সা, রাইডাক, জলঢাকা নদীতে জলস্তর বাড়তে পারে। শস্য চাষের ক্ষতি হতে পারে।