Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

সিনিয়রিটি ভেঙে ডিন নিয়োগ? বিতর্ক যাদবপুরে, পরিবর্তনের উদ্যোগ শুরু, দুই অধ্যাপককে বাঁচাতেই সিদ্ধান্ত!

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে আইএসএলএম ফ্যাকাল্টির ডিন নিয়োগ নিয়ে তুমুল বিতর্ক। সিনিয়রিটির নিয়ম না মেনে ডিন নিয়োগ করা হয়েছে, এই দাবি তুলে সহ-উপাচার্যকে স্মারকলিপি জমা দিল অধ্যাপক সংগঠন অ্যাবুটা।

সিনিয়রিটি ভেঙে ডিন নিয়োগ? বিতর্ক  যাদবপুরে, পরিবর্তনের উদ্যোগ শুরু, দুই অধ্যাপককে বাঁচাতেই সিদ্ধান্ত!
  • ১ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে আইএসএলএম ফ্যাকাল্টির ডিন নিয়োগ নিয়ে তুমুল বিতর্ক। সিনিয়রিটির নিয়ম না মেনে ডিন নিয়োগ করা হয়েছে, এই দাবি তুলে সহ-উপাচার্যকে স্মারকলিপি জমা দিল অধ্যাপক সংগঠন অ্যাবুটা। যদিও, শেষ পর্যন্ত ডিন বদলের আশ্বাস মিলেছে বলে দাবি সংগঠনটির। সহ-উপাচার্য অমিতাভ দত্ত অবশ্য সরাসরি ডিন পরিবর্তনের কথা স্বীকার না করে বলেন, ‘আমরা সবকিছুই খতিয়ে দেখছি। নিয়ম মেনেই যা হওয়ার হবে।’

Advertisement

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর, স্কুল অব বায়োসায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অধ্যাপক মনীষা চক্রবর্তীকে ডিন নিয়োগ করা নিয়ে বুধবার রাত থেকেই গোলমাল শুরু হয়। কারণ, ইন্টারডিসিপ্লিনারি স্টাডিজ, ল অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (আইএসএলএম) ফ্যাকাল্টির অধীন অ্যাডাল্ট কন্টিনিউইং এডুকেশন অ্যান্ড এক্সটেনশন বিভাগের কমিউনিকেশন স্টাডিজের অধ্যাপক পার্থ চক্রবর্তী সিনিয়রিটিতে এগিয়ে। তা সত্ত্বেও তাঁকে কেন ডিন করা হল না, সেই প্রশ্ন তোলা হয়। যদিও কর্তৃপক্ষের তরফে সদুত্তর মেলেনি বলেই অধ্যাপকদের একাংশের দাবি। কখনও বলা হয়েছে, পার্থবাবুর সিনিয়রিটি সম্পর্কিত কিছু কাগজপত্র অফিসে মিলছে না। আবার কখনও বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট বিভাগটি যে আইএসএলএম ফ্যাকাল্টির অধীনে, সেটাই নাকি জানা ছিল না কর্তৃপক্ষের। এটিকে অবশ্য অনিচ্ছাকৃত ভুল বলে মনে করছে না বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যাভিজ্ঞ মহল। তাদের মতে, মাস কমিউনিকেশন এবং জার্নালিজম বিভাগে দুই অধ্যাপকের বিরুদ্ধে ওঠা মারাত্মক অভিযোগ চাপা দিতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শক্তিশালী বামপন্থী অক্ষ এটি করতে কর্তৃপক্ষকে চাপ দিয়েছে। ওই দুই অধ্যাপকের বিরুদ্ধে উত্তরপত্র মূল্যায়ন না করেই খেয়ালখুশি মতো নম্বর দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। সেই অভিযোগের প্রমাণও পেয়েছে তদন্ত কমিটি। দীর্ঘদিন তাঁদের ক্লাস বয়কট করে রাখেন এই বিভাগের ছাত্রছাত্রীরা। তবে, বামপন্থী লবির এই দুই অধ্যাপককে যাতে কড়া শাস্তির মুখে পড়তে না-হয়, তাই সংশ্লিষ্ট বিভাগের আরেক অধ্যাপককে ডিন পদে না আনার সিদ্ধান্ত হয়। কারণ, অভিযোগগুলির আগাগোড়াই জানতেন পার্থবাবু। তিনি এ নিয়ে সোচ্চারও হয়েছিলেন বলে খবর।

সম্পর্কিত সংবাদ