কলকাতা, ১ আগস্ট: পাক সংগঠন জয়েশের সঙ্গে যোগাযোগের প্রমাণ মিলেছিল আগেই। বর্ধমান থেকে ধৃত জঙ্গি হামিম মণ্ডলকে জেরা করে এবার আরো বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য বেঙ্গল এসটিএফের হাতে এসেছে। এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হামিম ও তার মডিউলের ‘টার্গেট’ ছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছে এসটিএফ। যদিও তদন্তের স্বার্থে তাঁর নাম এখনই খোলসা করা হয়নি।
হামিম মণ্ডলের ফোনের সূত্র ধরে বান্ধবী অর্পিতা সরকারের নাগাল পেয়েছিল বেঙ্গল এসটিএফ। ঝাড়খণ্ডের সাহেবগঞ্জ থেকে ওই সুন্দরী তরুণীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরো জেরার জন্য তাকে আনা হয়েছে কলকাতায়। সূত্রের খবর, হামিম নিয়োগ করে অর্পিতাকে। তার কাজ ছিল ‘হানি ট্র্যাপে’ টার্গেটকে ফাঁসানো। বেশ কয়েকজনকে সে ফাঁদে ফেলেছিল। বিনিময়ে পাকিস্তান থেকে বড় অঙ্কের টাকা এসেছিল হামিমের কাছে।
অন্যদিকে ধৃত হামিমের মূল কাজ ছিল সংগঠন বাড়ানো। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং রাজ্যের কয়েকজন মন্ত্রী এবং জনপ্রতিনিধির গতিবিধির উপর নজর রাখা। সেই সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য একটি অ্যাপের মাধ্যমে পাঠানো হতো পাকিস্তানে। সম্প্রতি এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে নিশানা করেছিল ধৃত জঙ্গিরা। এক মাসের মধ্যে কাজ সেরে ফেলার ‘অ্যাসাইনমেন্ট’ দেওয়া হয়েছিল। এমনই নির্দেশ এসেছিল পাকিস্তান থেকে।
গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন এসটিএফের আধিকারিকরা। কোনো সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না। হামিম ও তার বান্ধবী অর্পিতাকে মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর। জঙ্গি চক্রে আরো অনেকে জড়িত থাকতে পারে বলে তদন্তকারীদের অনুমান। তাদের খোঁজ চলছে।