সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: আন্তঃরাজ্য বাইক চুরি চক্রের মূল পান্ডা সহ তিন যুবককে গ্রেপ্তার করল রঘুনাথগঞ্জ থানার পুলিস। ধৃতদের হেফাজতে থাকা দু’টি বাইকও উদ্ধার করেছে পুলিস। ধৃতদের নাম তাজেরুল শেখ, নুর আলম ও বাবু শেখ। নুর আলমের বাড়ি বীরভূম জেলার পাইকর থানা এলাকায়। অপর দু’জনের বাড়ি ঝাড়খণ্ডের পাকুর জেলার মহেশপুরে। রঘুনাথগঞ্জ ও ঝাড়খণ্ডের সীমান্ত এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিস। ধৃতদের তিনজনকেই হেফাজতে নিয়ে জেরা করে পুলিস। জেরায় বাইক চুরি চক্রের আরও কয়েকজনের নাম জানা গিয়েছে। সোমবার ধৃতদের দ্বিতীয় দফায় জঙ্গিপুর মহকুমা আদালতে তোলা হলে তাদের তিনজনেরই জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।
Advertisement
এ প্রসঙ্গে রঘুনাথগঞ্জ থানার এক পুলিস অফিসার জানিয়েছেন, বাইক চুরির অভিযোগ পেয়েই তদন্তে নামে পুলিস। তদন্তে চালিয়ে তিন যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের হেফাজতে থাকা দু›টি বাইক ও উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত কয়েকমাস ধরে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতাল চত্বর থেকে বাইক চুরির অভিযোগ আসছিল। এছাড়াও রঘুনাথগঞ্জ থানার বিভিন্ন এলাকা থেকে হামেশাই বাইক চুরি হওয়ায় অতিষ্ঠ হচ্ছিলেন এলাকাবাসী। প্রায় সপ্তাহ দুয়েক আগে রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালের ইমারজেন্সি বিভাগের সামনে থেকে একটি বাইক চুরি হয়। তার দিন দুয়েক পরই হাসপাতালের দুই নম্বর গেট সংলগ্ন একটি বেসরকারি হাসপাতালের সামনে থেকে আরও একটি বাইক চুরি হয়। বাইকের মালিকরা রঘুনাথগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
তদন্তে নেমে আশপাশের সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ খতিয়ে দেখে বীরভূমের নুর আলমের বিষয়ে জানতে পারে পুলিস। প্রায় সপ্তাহ খানেক আগে নুর আলম ফের জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতাল চত্বরে বাইক চুরির চেষ্টা করলে কর্তব্যরত পুলিস তাকে ধরে ফেলে। পুলিসের কাছে বাইক চুরির কথা স্বীকার করেছে। চুরির বাইক দু’টি সে ঝাড়খণ্ডের দুই যুবকের কাছে বিক্রি করেছে বলে ও পুলিসকে জানায়। ঝাড়খণ্ড থেকে তাজেরুল শেখ ও বাবু শেখের নাম পায় পুলিস। দু’জনকেই গ্রেপ্তার করে পুলিস। তাদের হেফাজতে থাকা দু’টি বাইক ও উদ্ধার করেছে পুলিস।
এদিকে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আসা রোগীর পরিজনরা রীতিমতো আতঙ্কে ভোগেন। বিপদের সময় রোগীকে নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। সেই সুযোগে বাইক নিয়ে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা। মহম্মদপুরের ইব্রাহিম শেখ বলেন, কয়েকদিন আগে রাতে আচমকাই বউদির পেটে যন্ত্রণা শুরু হয়। বউদিকে ভর্তি করতে হাসপাতালের ভিতরে যাই। ভর্তি করে ওষুধ কিনতে যাওয়ার সময় বাইরে এসে দেখি বাইকটি নেই। পুলিস বাইকটি উদ্ধার করে দিলে ভালো হয়।
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত কয়েকমাস ধরে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতাল চত্বর থেকে বাইক চুরির অভিযোগ আসছিল। এছাড়াও রঘুনাথগঞ্জ থানার বিভিন্ন এলাকা থেকে হামেশাই বাইক চুরি হওয়ায় অতিষ্ঠ হচ্ছিলেন এলাকাবাসী। প্রায় সপ্তাহ দুয়েক আগে রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালের ইমারজেন্সি বিভাগের সামনে থেকে একটি বাইক চুরি হয়। তার দিন দুয়েক পরই হাসপাতালের দুই নম্বর গেট সংলগ্ন একটি বেসরকারি হাসপাতালের সামনে থেকে আরও একটি বাইক চুরি হয়। বাইকের মালিকরা রঘুনাথগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
তদন্তে নেমে আশপাশের সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ খতিয়ে দেখে বীরভূমের নুর আলমের বিষয়ে জানতে পারে পুলিস। প্রায় সপ্তাহ খানেক আগে নুর আলম ফের জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতাল চত্বরে বাইক চুরির চেষ্টা করলে কর্তব্যরত পুলিস তাকে ধরে ফেলে। পুলিসের কাছে বাইক চুরির কথা স্বীকার করেছে। চুরির বাইক দু’টি সে ঝাড়খণ্ডের দুই যুবকের কাছে বিক্রি করেছে বলে ও পুলিসকে জানায়। ঝাড়খণ্ড থেকে তাজেরুল শেখ ও বাবু শেখের নাম পায় পুলিস। দু’জনকেই গ্রেপ্তার করে পুলিস। তাদের হেফাজতে থাকা দু’টি বাইক ও উদ্ধার করেছে পুলিস।
এদিকে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আসা রোগীর পরিজনরা রীতিমতো আতঙ্কে ভোগেন। বিপদের সময় রোগীকে নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। সেই সুযোগে বাইক নিয়ে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা। মহম্মদপুরের ইব্রাহিম শেখ বলেন, কয়েকদিন আগে রাতে আচমকাই বউদির পেটে যন্ত্রণা শুরু হয়। বউদিকে ভর্তি করতে হাসপাতালের ভিতরে যাই। ভর্তি করে ওষুধ কিনতে যাওয়ার সময় বাইরে এসে দেখি বাইকটি নেই। পুলিস বাইকটি উদ্ধার করে দিলে ভালো হয়।



