সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: বাগনানে বিজেপি কর্মী প্রশান্ত দে খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার আরোও এক অভিযুক্ত। নাম সেখ সাইফুদ্দিন। শনিবার রাতে হাওড়া ও পূর্ব মেদিনীপুরের সীমান্ত এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি আধিকারিকরা। আজ ধৃতকে উলুবেড়িয়া আদালতে তোলা হবে।এখনও পর্যন্ত এই খুনের ঘটনায় মোট ১১ জন গ্রেপ্তার হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত ১৫ জুন রাতে একটি নেমতন্ন সেরে বাড়ি ফেরার পথে বাগনানের পাইকপাড়ি গ্রামে আক্রান্ত হন প্রশান্ত সহ চার বিজেপি কর্মী। বাঁশ ও ইট দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয় তাঁদের। জখম অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে গেলে প্রশান্তবাবুকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। আহত বাকি তিন বিজেপি সমর্থকে এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়। এই খুনের ঘটনায় অভিযোগের তির তৃণমূলের এক পঞ্চায়েত কর্তা এবং তার সাঙ্গপাঙ্গদের বিরুদ্ধে।
খুন হওয়া ওই দলীয় কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে শনিবার বিকালে বাগনানের বাঁটুল গ্রামের বাড়িতে যান মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথাবার্তা সেরে বাগনান থানায় যান মুখ্যমন্ত্রী। সেখানেই সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ঘটনায় মোট ৫১ জনের নামে এফআইআর হয়েছে। সেদিন তিনি বলেন, ' পাতালের নীচে থাকলেও, বাগনানের দলীয় কর্মী প্রশান্ত দে’র খুনিদের খুঁজে বের করে আনা হবে'।
নিহত প্রশান্ত দে'র পরিবারের হাতে চার লক্ষ ও পরে মুখ্যমন্ত্রী দান তহবিল থেকে আরও পাঁচ লক্ষ টাকা তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু বলেন, ' আমি পরিবারকে বলে এসেছি এফআইআর’এ যাদের নাম আছে সিআইডি তাদের প্রত্যেককে গ্রেপ্তার করবে। হেপাজতে থাকাকালীন চার্জশিট দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর আগে এইরকম অনেক ঘটনাতে মানুষ বিচার পাইনি বলেই নির্বাচনে গণঅভ্যুত্থান হয়েছে। ২০২১ সালের ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনায় এই এলাকায় প্রচুর আভিযোগ আছে। বাইনানে একজন মূক ও বধির মহিলাকে ধর্ষণ করা হয়েছে। সেই মামলা সিবিআই নিয়েছে। এইসব ঘটনায় শাস্তি হয়নি বলেই খুনি, গুন্ডা, অত্যাচারীরা বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছিল। এ সব এখন বন্ধ।