দুবাই: রবিবার এশিয়া কাপ ফাইনাল। মুখোমুখি দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশ ভারত-পাকিস্তান। গ্রুপ পর্ব এবং সুপার ফোরে মুখোমুখি হয়েছিল দুই দল। দু’বারই জিতেছে ভারত। তবে ফাইনালের লড়াই হবে একেবারে অন্যরকম। পাকিস্তানের হেড কোচ মাইক হেসন অন্তত তেমনই দাবি করছেন। তিনি বলেন, ‘১৪ ও ২১ সেপ্টেম্বর ভারতের বিরুদ্ধে আমরা খেলেছি। প্রত্যাশা মতো পারফর্ম করতে পারেনি ছেলেরা। তবে এগুলো গুরুত্বহীন হয়ে যাবে যদি ফাইনালে আমরা সেরাটা মেলে ধরে খেতাব জিততে পারি।’
১৯৮৪ থেকে হচ্ছে এশিয়া কাপ। আশ্চর্যজনকভাবে ফাইনালে কখনও মুখোমুখি হয়নি ভারত-পাকিস্তান। তাই খেতাবি লড়াই ঘিরে উত্তেজনা অনেক বেশি। তাছাড়া দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক বাড়তি গুরুত্ব পাচ্ছে। হ্যান্ডশেক বিতর্ক যোগ করেছে নতুন মাত্রা। তা নিয়ে অবশ্য মাথা ঘামাতে রাজি নন পাকিস্তানের হেড কোচ। তিনি জানিয়েছেন, ‘ভুলত্রুটি শুধরে ছেলেরা ঘুরে দাঁড়িয়েছে। বাকি একটা ম্যাচ। আমরা চ্যাম্পিয়ন হওয়ার ক্ষমতা রাখি। তাই এখন স্রেফ ফাইনালে নজর দিতে বলেছি দলকে। মাঠের বাইরের ঘটনা নিয়ে মাথা ঘামালে ফোকাস নড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এই ব্যাপারে সতর্ক থাকা দরকার।’
এশিয়া কাপের আসরে পর পর দু’বার ভারতের কাছে হেরে মুষড়ে পড়েছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেটাররা। ফাইনালের আগে তাঁরাও সলমন আগাদের উজ্জীবিত করতে ময়দানে হাজির। প্রাক্তন পাক পেসার শোয়েব আখতার বলেছেন, ‘মানসিকতার পরিবর্তন ঘটাতে হবে পাক ক্রিকেটারদের। প্রতিপক্ষকে নিয়ে বেশি ভাবলে চলবে না। মনে কর, ফাইনালে তোমরা খেলছ বাংলাদেশের বিরুদ্ধে। তাই ২০ ওভার বল করা নয়, ওদের অল-আউট করার কথা ভাবতে হবে।’ দুরন্ত ফর্মে থাকা ভারতীয় ওপেনার অভিষেক শর্মাকে আটকালেই নাকি ভারতীয় ব্যাটিং চাপে পড়ে যাবে বলে মনে করছেন শোয়েব আখতার। তাঁর যুক্তি, ‘শুরুতে অভিষেক দ্রুত গতিতে রান তুলে বাকিদের কাজটা সহজ করে দেয়। তাই প্রথম দুই ওভারের মধ্যে ওকে ফেরাতে পারলে বাকি ভারতীয় ব্যাটারদের কাজটা কঠিন হয়ে যাবে। অতএব প্রথম থেকেই টার্গেট করতে হবে অভিষেককে।’ এদিকে, সায়িম আয়ূবকে বাদ দেওয়ার পরামর্শ দিলেন ওয়াকার ইউনিস। তাঁর যুক্তি, ‘পাঁচ ম্যাচে চারবার খাতাই খুলতে পারেনি। বলটা ঠিকঠাক করলেও ব্যাটে হতাশ করছে। ওকে না খেলানোই ভালো।’