নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সরকারি স্কুলে শিক্ষক-আধিকারিক সঙ্কট। তার জেরে অবাক করা নির্দেশ শিক্ষাদপ্তরের। হিন্দু স্কুলের লাইব্রেরিয়ান জিষ্ণু ভট্টাচার্য সপ্তাহে তিনদিন দায়িত্ব সামলাবেন বালিগঞ্জ গভর্নমেন্ট স্কুলেও। সোম, মঙ্গল এবং বুধবার তিনি কর্মরত থাকবেন হিন্দু স্কুলে। আর বাকি তিনদিন তাঁকে সামলাতে হবে বালিগঞ্জ গভর্নমেন্ট স্কুলের দায়িত্ব।
তবে, এ নিয়ে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে হিন্দু স্কুলের শিক্ষকদের মধ্যে। কারণ, স্রেফ লাইব্রেরিয়ানের দায়িত্বই পালন করতেন না জিষ্ণুবাবু, শিক্ষকের অভাবে তিনি ইংরেজির ক্লাসও নিতেন। এমনকী, ষষ্ঠ শ্রেণির ক্লাস টিচারের দায়িত্বেও ছিলেন তিনি। ফলে, সেদিক থেকে বঞ্চিত হবে হিন্দু স্কুলের ছাত্ররা। তাছাড়া, লাইব্রেরির আয়তন ছোট হওয়ায় একসঙ্গে বেশি ছাত্রকে একসঙ্গে সেখানে আনা যেত না। তাই সপ্তাহের প্রতিদিনই কোনও লাইব্রেরির একাধিক ক্লাস রাখতে হতো। তিনি সপ্তাহে তিনদিন না-থাকলে ছাত্রদের লাইব্রেরি ব্যবহারও নিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়বে।
অন্যদিকে, বেশ কয়েকটি জেলার মাধ্যমিক স্তরের ডিআই পদেও রদবদল হয়েছে। মুর্শিদাবাদের ডিআই সুনীতি সাঁফুই এলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডিআই অ্যাকাডেমিক হয়ে। পশ্চিম মেদিনীপুরের এডিআই জয়ন্ত হালদার মুর্শিদাবাদের ডিআই পদে এলেন। মুর্শিদাবাদের এডিআই দেবনারায়ণ শেঠ উন্নীত হলেন মুর্শিদাবাদের ডিআই (অ্যাকাডেমিক) পদে। এই পদে থাকা বেণুধর কর্মকার অবসর নিয়েছেন।