ছুটির দিনে আলসে ঘুম থেকে উঠে মুখরোচক খাবার দিয়ে দিন শুরু করতে কার না ভালো লাগে। ঘিয়ে ভাজা লুচি আর আলুর দম দিয়ে ব্রেকফাস্ট। দুপুরে ভুরিভোজের পর বিকেলে টম্যাটো সস্ সহযোগে কাটলেট বা শিঙাড়া। লুচি, পরোটা বা চপের মতো সুস্বাদু খাবারের আকর্ষণ এড়িয়ে থাকা খুবই কঠিন। স্কুলের বাচ্চাদের টিফিনের জন্য ব্রেডের সঙ্গে জ্যাম বা জেলি এদেশে এখন বেশ চলনসই। আবার ঠান্ডা পড়তেই রাতে ঘুমের আগে চ্যবনপ্রাশ। তবে শুনলে অবাক লাগতে পারে, বিশ্বের নানা দেশে এইসব খাবার নিষিদ্ধ। এই তালিকায় শিঙাড়া ছাড়াও রয়েছে একাধিক খাবার। আমাদের দেশে ঘি নিত্য ব্যবহার্য। কিন্তু এমন খাবারের গায়েও ঢ্যারা চিহ্ন পড়েছে মার্কিন মুলুকে! ভারতে পুজো-পার্বণের ভোগ হোক বা পুষ্টিকর খাবার। ঘিয়ের ব্যবহার স্বাভাবিক। তবে আমেরিকার খাদ্য ও ওষুধ নিয়ামক সংস্থার দাবি, ঘি অস্বাস্থ্যকর। এতে রক্তচাপ বৃদ্ধি,হৃদরোগ ও স্থুলত্বের আশঙ্কা রয়েছে।
আবার টম্যাটো কেচআপের ব্যবহার তো আমাদের ঘরে ঘরে। চপ-কাটলেটকে আরও লোভনীয় করে তুলতে হোক বা রান্নায় ব্যবহার, টম্যাটো সস্ সব ঘরের কিচেন ক্যাবিনেটেই জ্বলজ্বল করছে। অথচ তা ফ্রান্স নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। তাদের দাবি, এই খাবারটি মার্কিন সংস্কৃতির পরিচায়ক। তাই ফরাসি ঐতিহ্য ধরে রাখতে কেচআপের ব্যবহারে রাশ টানা হয়েছে। অন্যদিকে চ্যবনপ্রাশ নিষিদ্ধ কানাডায়। সেদেশে ২০০৫ সাল থেকেই এই নিয়ম চালু হয়েছে। সেদেশের কর্তৃপক্ষের দাবি, অতিরিক্ত মাত্রায় লেড ও পারদ রয়েছে চ্যবনপ্রাশে। তা স্বাস্থ্যের জন্য একেবারেই সুরক্ষিত নয়।
আর জেলি মিনি কাপ ব্রিটেন ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলিতে নিষিদ্ধ। ব্রিটেনের দাবি, জেলিতে ই৪২৫ ব্যবহার করা হয়। যা আদতে একধরনের আঠা জাতীয় পদার্থ। সেজন্য তা স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে নিরাপদ নয়।



