Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

আনন্দপুরে আগুন: পোড়া হাড় ও মাংস থেকে নমুনা নিতে লাগছে বাড়তি সময়

আনন্দপুর লাগোয়া নাজিরাবাদে জোড়া গোডাউনে অগ্নিকাণ্ডে মৃত ২৭ জনের মধ্যে ১৬ জনের দেহাংশ ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে পেয়েছেন মৃতের পরিবার

আনন্দপুরে আগুন: পোড়া হাড় ও মাংস থেকে নমুনা  নিতে লাগছে বাড়তি সময়
  • ১১ মার্চ, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: আনন্দপুর লাগোয়া নাজিরাবাদে জোড়া গোডাউনে অগ্নিকাণ্ডে মৃত ২৭ জনের মধ্যে ১৬ জনের দেহাংশ ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে পেয়েছেন মৃতের পরিবার। কিন্তু এখনও ১১ জনের ডিএনএ রিপোর্ট আসা বাকি রয়েছে। তাঁদের যেটুকু দেহাবশেষ উদ্ধার হয়েছে, তার থেকে নমুনা বের করে পরীক্ষা করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা। কারণ, দেহের খুব সামান্য অংশ উদ্ধার করা গিয়েছে ঘটনাস্থল থেকে। তাছাড়া, একজনের সঙ্গে আরেকজনের দেহংশ মিশে গিয়েছে। ফলে দু’জনকে আলাদা করে পরীক্ষা করতেও সময় লেগে যাচ্ছে। তাই যেটুকু হাড় বা পোড়া মাংসের টুকরো পাওয়া গিয়েছিল, সবই ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়েছে। ১৬ জনের ক্ষেত্রে এই সমস্যা হয়নি কারণ, তাঁদের দেহাংশ আকারে বড়ো ছিল।  মৃত ১১ জনের পরিবারের এখন একটাই প্রশ্ন। কবে মিলবে প্রিয়জনের দেহাংশ? যত দ্রুত সম্ভব মৃতদের পরিবারের হাতে যাতে দেহাবশেষ তুলে দেওয়া যায়, সেই চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ। ফরেনসিক সূত্রে জানা গিয়েছে, যে দেহাংশ এখন তাদের কাছে রয়েছে, তার থেকে নিখুঁত রিপোর্ট পেতে বারবার পরীক্ষা করা হচ্ছে। পরে যাতে কোনো দেহাংশ নিয়ে প্রশ্ন না ওঠে, তাই ঝুঁকি নিতে রাজি নন বিশেষজ্ঞরা। বারুইপুর পুলিশ জেলার তরফেও তাঁদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। কাজের অগ্রগতি কতটা হয়েছে, কবে আসতে পারে রিপোর্ট, সবটা তদারকি করছেন অফিসাররা। এক পদস্থ কর্তা বলেন, প্রায় ১৫০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় দেহগুলি পুড়েছে। বেশিরভাগেরই কিছু অবশিষ্ট প্রায় নেই। তার মধ্যে থেকেও যেটুকু পাওয়া গিয়েছে, তার থেকে নমুনা সংগ্রহ করা খুবই দুষ্কর। তবুও বিশেষজ্ঞরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এদিকে, যে ১৬ জনের দেহাংশ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে, তাঁদের ডেথ সার্টিফিকেট প্রস্তুত করার কাজও শুরু হয়েছে। 

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ