সুজিত ভৌমিক, কলকাতা: কলকাতার আমেরিকান সেন্টার হামলা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত কুখ্যাত জঙ্গি জামিলউদ্দিন নাসেরকে প্যারোলে ছাড়ার জন্য সিআরপিসি’র ২৬৮ ধারা রদ করার প্রস্তাব দিল রাজ্য কারাদপ্তর। বুধবার লিখিত প্রস্তাবটি পৌঁছেছে লালবাজারে। কলকাতা পুলিস তাতে রাজি থাকলে আফতাব আনসারির ঘনিষ্ঠ এই জঙ্গির চিকিৎসার জন্য প্যারোলে মুক্তি আটকাবে না।
Advertisement
জামিলউদ্দিন বর্তমানে কলকাতার প্রেসিডেন্সি জেলে বন্দি। বন্দিদশা চলছে প্রায় ২১ বছর। সুপ্রিম কোর্টের আদেশে তাকে ৩০ বছর সাজা খাটতেই হবে। জেলে একটানা থাকার ফলেই সে অসুস্থ। আমেরিকান সেন্টার হত্যা মামলা কলকাতা পুলিসের তরফে দেখভাল করছে এসটিএফ। ফলে এসটিএফ আপত্তি জানালে, জামিলউদ্দিনের উপর থেকে সিআরপিসি’র ২৬৮ ধারা রদের প্রস্তাব খারিজ হয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে ৩০ বছর সাজা খাটার আগে সে জেলের বাইরে বেরতেই পারবে না।
সাম্প্রতিক অতীতে বউবাজার বিস্ফোরণ মামলায় টাডা আইনে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত বন্দি রশিদ খানের আগাম মুক্তির আর্জিতে আপত্তি তুলেছিল লালবাজার। ডিসি (পোর্ট) বিনোদ মেহতার এক হত্যাকারীকেও আগাম মুক্তির আর্জিতে আপত্তি ছিল তাদের।
ফলে রাজ্যের ‘সেন্টেন্স রিভিউ পিটিশন বোর্ড’ প্রস্তাব দিলেও লালবাজারের আপত্তিতে দুটি আর্জিই নাকচ হয়ে যায়। অতীতে ছানি অপারেশনের দাবিতে, আফতাব আনসারির উপর থেকেও আইনের একই ধারা রদের প্রস্তাব খারিজ হয়। নিরাপত্তার কারণে, ফলে প্রেসিডেন্সি জেলেই অস্থায়ী অপারেশন থিয়েটার বসিয়ে চিকিৎসা করা হয় আফতাবের। লালবাজারের গোয়েন্দা মহলের একাংশের ধারণা, নাসের ইস্যুটিও আপত্তির মুখে পড়বে।
সাধারণ মামলার ক্ষেত্রে জেলে ভালো আচরণের সুবাদে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত বন্দির তরফে ১৪ বছর সাজা খাটার পর আগাম মুক্তির জন্য যথাস্থানে আবেদন জানানো যায়। কিন্তু নাসেরের উপর সুপ্রিম কোর্টের আদেশে সিআরপিসি’র ২৬৮ ধারা বলবৎ রয়েছে। তাই তার আগাম মুক্তি দূর, সংশয় আছে প্যারোলের সুবিধা প্রাপ্তি নিয়েও।
এদিকে, প্রেসিডেন্সি জেল সূত্রের খবর, জেলে বর্তমানে অসুস্থ জামিলউদ্দিন নাসেরের পক্ষ থেকে তাই সিআরপিসি’র ২৬৮ ধারা রদের আবেদন করা হয়েছে। তার প্রেক্ষিতে রাজ্য কারাবিভাগ স্বরাষ্ট্র দপ্তরের মাধ্যমে লালবাজারে লিখিত প্রস্তাব পাঠিয়েছে। এই বিষয়ে আইজি (কারা) লক্ষ্মীনারায়ণ মিনার বক্তব্য, ‘প্যারোলের আবেদন রয়েছে। তাই পাঠানো হয়েছে সেটা। এটা প্রশাসনিক বিষয়মাত্র।’
সাম্প্রতিক অতীতে বউবাজার বিস্ফোরণ মামলায় টাডা আইনে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত বন্দি রশিদ খানের আগাম মুক্তির আর্জিতে আপত্তি তুলেছিল লালবাজার। ডিসি (পোর্ট) বিনোদ মেহতার এক হত্যাকারীকেও আগাম মুক্তির আর্জিতে আপত্তি ছিল তাদের।
ফলে রাজ্যের ‘সেন্টেন্স রিভিউ পিটিশন বোর্ড’ প্রস্তাব দিলেও লালবাজারের আপত্তিতে দুটি আর্জিই নাকচ হয়ে যায়। অতীতে ছানি অপারেশনের দাবিতে, আফতাব আনসারির উপর থেকেও আইনের একই ধারা রদের প্রস্তাব খারিজ হয়। নিরাপত্তার কারণে, ফলে প্রেসিডেন্সি জেলেই অস্থায়ী অপারেশন থিয়েটার বসিয়ে চিকিৎসা করা হয় আফতাবের। লালবাজারের গোয়েন্দা মহলের একাংশের ধারণা, নাসের ইস্যুটিও আপত্তির মুখে পড়বে।
সাধারণ মামলার ক্ষেত্রে জেলে ভালো আচরণের সুবাদে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত বন্দির তরফে ১৪ বছর সাজা খাটার পর আগাম মুক্তির জন্য যথাস্থানে আবেদন জানানো যায়। কিন্তু নাসেরের উপর সুপ্রিম কোর্টের আদেশে সিআরপিসি’র ২৬৮ ধারা বলবৎ রয়েছে। তাই তার আগাম মুক্তি দূর, সংশয় আছে প্যারোলের সুবিধা প্রাপ্তি নিয়েও।
এদিকে, প্রেসিডেন্সি জেল সূত্রের খবর, জেলে বর্তমানে অসুস্থ জামিলউদ্দিন নাসেরের পক্ষ থেকে তাই সিআরপিসি’র ২৬৮ ধারা রদের আবেদন করা হয়েছে। তার প্রেক্ষিতে রাজ্য কারাবিভাগ স্বরাষ্ট্র দপ্তরের মাধ্যমে লালবাজারে লিখিত প্রস্তাব পাঠিয়েছে। এই বিষয়ে আইজি (কারা) লক্ষ্মীনারায়ণ মিনার বক্তব্য, ‘প্যারোলের আবেদন রয়েছে। তাই পাঠানো হয়েছে সেটা। এটা প্রশাসনিক বিষয়মাত্র।’



