Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

আমোদপুর-কাটোয়া রুটে ট্রেন বাড়ানোর দাবি অ্যাসোসিয়েশনের

আমোদপুর-কাটোয়া রুটে ট্রেন বাড়ানোর দাবি অ্যাসোসিয়েশনের
  • ৪ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, শান্তিনিকেতন: আমোদপুর-কাটোয়া রুটে সঠিক সময়ে ফাস্ট প্যাসেঞ্জার ট্রেন চালুর দাবিতে রেল কর্তৃপক্ষের দ্বারস্থ হতে চলেছে তারাশঙ্কর প্যাসেঞ্জার ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন। ওই সংগঠনের দাবি, দ্রুত এই ফাস্ট প্যাসেঞ্জার ট্রেনটি চালু করতে হবে এবং তার নাম দিতে হবে তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস হাঁসুলিবাঁকের উপকথার নামে। আগামী ১০ নভেম্বর সংগঠনের সদস্যরা সেই দাবি নিয়ে দেখা করবেন রেলের ডিআরএম ও জিএম-এর সঙ্গে। দীর্ঘদিন ধরেই আমোদপুর-কাটোয়া রুটে ট্রেন বাড়ানোর দাবিতে স্থানীয় মানুষরা আন্দোলন করে আসছেন। তাঁদের অভিযোগ, আপাতত দুই জোড়া লোকাল ট্রেন এই রুটে চলাচল করলেও তাতে কোনও সুবিধে হচ্ছে না। এখানকার মানুষদের হাওড়া, শিয়ালদহ ও কলকাতা যাওয়ার সমস্যা রয়ে গিয়েছে আগের মতোই। তাই ফাস্ট প্যাসেঞ্জারের সঙ্গেই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে আরও এক্সপ্রেস সহ লোকাল ট্রেন চালু করতে হবে। মূলত ভোরের দিকে ট্রেন বাড়ানোর দাবিতেই আন্দোলন ও আগামী কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে সংগঠনের তরফে। এলাকার মানুষদের অসুবিধার কথা মাথায় রেখে রেলের তরফে দু’টি নতুন ট্রেন ঘোষণা করা হয়েছিল। যা আমোদপুর থেকে ভায়া কাটোয়া ও নবদ্বীপ হয়ে হাওড়া অবধি চলবে। রেলের সিদ্ধান্তের পর আশার আলো দেখেছিলেন স্থানীয়রা। কিন্তু এখনও অবধি সেই ট্রেন চালু হয়নি। যদিও তারই মধ্যে বেশ কয়েকবার এই রুটে ট্রায়াল রান হয়েছে। তবে নিয়মিত ট্রেন চলাচল শুরু না হওয়ায় সমস্যা থেকেই গিয়েছে। পাশাপাশি যে মেমু লোকাল আমোদপুর থেকে কাটোয়া অবধি চলাচল করছে তার সময়সূচি পরিবর্তনের আবেদন করা হয়েছে। 
Advertisement
প্রসঙ্গত, আমোদপুর থেকে কাটোয়া রেল লাইন ৫২ কিমি দীর্ঘ। ১৯১৭ সালে ব্রিটিশ শাসনকালে এই রেললাইন পাতা হয়। তখন তা ছিল ন্যারোগেজ। ২০১০ সালের তৎকালীন রেলমন্ত্রী ঘোষণা করেন, ন্যারোগেজ থেকে ব্রডগেজে রূপান্তরিত করা হবে এই রুটটিকে। ২০১৩ সালের ১৪ জানুয়ারি শেষবারের মতন ন্যারোগেজ ট্রেন চলে। তার পাঁচবছর পর ২০১৮ সালে ২৪ মে ব্রডগেজ লাইনে ট্রেন যাতায়াত শুরু হয়। কিন্তু তারপর থেকে এই রুটে মাত্র দু’টি ট্রেন চলে। তাতে এই বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষদের কোনও সুবিধে হয়নি।
স্থানীয় বাসিন্দা আশরাফুল ইসলাম, তন্ময় চক্রবর্তী, সাধন ঘোষ, বিকাশ মণ্ডল বলেন, আমরা চাই দ্রুত আমাদের সমস্যার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করুক রেল। এই রুট ন্যারোগেজ থেকে ব্রডগেজ হওয়ায় আমরা খুশি হয়েছিলাম। লাভপুর, কীর্ণাহার সহ পার্শ্ববর্তী এলাকার সঙ্গে যোগাযোগ সুবিধাজনক হবে আশা করেছিলাম। কিন্তু ট্রেনের সংখ্যা একদমই নগণ্য হওয়ায় আমাদের সমস্যা মেটেনি। 
সম্পর্কিত সংবাদ