Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

‘আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান’, প্রথম দিনেই ২ লক্ষের বেশি মানুষ

প্রথম দিনেই বিপুল সাড়া পড়ল ‘আমাদের পাড়া, আমাদের সমাধান’ শিবিরে। এদিন শিবিরে এসেছেন প্রায় ২ লক্ষ মানুষ। আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করে তাঁরা নিজেরাই পাড়ার বা এলাকার যাবতীয় সমস্যা সমাধানের জন্য প্রকল্প নির্দিষ্ট করলেন।

‘আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান’, প্রথম দিনেই ২ লক্ষের বেশি মানুষ
  • ৩ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: প্রথম দিনেই বিপুল সাড়া পড়ল ‘আমাদের পাড়া, আমাদের সমাধান’ শিবিরে। এদিন শিবিরে এসেছেন প্রায় ২ লক্ষ মানুষ। আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করে তাঁরা নিজেরাই পাড়ার বা এলাকার যাবতীয় সমস্যা সমাধানের জন্য প্রকল্প নির্দিষ্ট করলেন। সূত্রের খবর, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই রাস্তা মেরামতির জন্য আবেদন এসেছে। সেই সঙ্গে রাস্তার আলো, শৌচাগার, স্কুলবাড়ি ও অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের মেরামতির বহু প্রস্তাব এসেছে বলে জানা গিয়েছে।

Advertisement

এদিন সকালে শিবিরের সাফল্য কামনা করে এক্স হ্যান্ডেলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লেখেন, ‘বাংলার মানুষকে তৃণমূল স্তরে পরিষেবা প্রদানের জন্য আমাদের যে ধারাবাহিক উদ্যোগ, তাতে আজ একটি নতুন পালক যুক্ত হল। আজ আমরা আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান নামে নতুন প্রকল্প চালু করলাম। এটা একটা অনন্য স্কিম। সারাদেশে এরকম উদ্যোগ এই প্রথম। এই প্রকল্পে মানুষ নিজেদের বুথ এলাকার সমস্যাগুলি নিজেরাই চিহ্নিত করবেন, অগ্রাধিকার দিয়ে তালিকা তৈরী করবেন। আমাদের সরকার সেই তালিকা মেনে কাজ করবে।’ সেই সঙ্গে মানুষকে শিবিরে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি লেখেন, ‘আমি বাংলার সকল মানুষকে অনুরোধ করব, আপনারা সবাই আপনাদের কাছের ক্যাম্পে যান এবং নিজেদের মতামত দিন। সরকারি আধিকারিকরা আপনাদের সাহায্য করার জন্য প্রস্তুত। আমি এই কাজের সঙ্গে যুক্ত সমস্ত আধিকারিক সহ সবাইকে আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই। আমি নিশ্চিত, সবার সহযোগিতায় এই প্রকল্পও আমাদের অন্যান্য প্রকল্পের মতো চূড়ান্তভাবে সফল হবে।’ এদিন সকাল থেকেই এলাকায় এলাকায় ‘আমাদের পাড়া, আমাদের সমাধান’ নিয়ে তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মতো। বিধায়ক, এলাকার জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে রাজ্যের পদস্থ কর্তারা নিজ নিজ এলাকায় শিবির পরিদর্শন করেছেন। এদিন রাজ্যজুড়ে মোট ৬৩৪টি শিবিরের আয়োজন করা হয়েছিল। ৩টি বুথ পিছু একটি করে শিবির হয়েছে। এক-একটি বুথের জন্য ১০ লক্ষ করে টাকা বরাদ্দ করছে নবান্ন। প্রতিটি শিবিরে ‘দুয়ারে সরকার’ কর্মসূচির একটি করে কাউন্টারও রাখা হয়েছে। সেখানে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, বার্ধক্যভাতা সহ ৩৭টি জনকল্যাণমুলক প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার জন্য আবেদনপত্র জমা নেওয়া হয়েছে। এদিন দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সর্বাধিক শিবির অনুষ্ঠিত হয়েছে। এরপরেই রয়েছে নদীয়া ও মুর্শিদাবাদ জেলা। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ