নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: আলুর বন্ড নিয়ে অশান্তি এড়াতে হিমঘর মালিকদের সঙ্গে বৈঠক করল পুলিস। শুক্রবার দুপুরে জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানায় ওই বৈঠক হয়। পুলিস সূত্রে খবর, প্রতিটি হিমঘর চত্বরে যাতে পর্যাপ্ত সিসি ক্যামেরা থাকে, তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে কোল্ড স্টোরেজের মালিকদের। এছাড়া হিমঘরের ভিতরের সুরক্ষা ব্যবস্থা ঠিক আছে কি না সেটাও খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে। যাতে হিমঘরে আলু মজুত করার সময় গ্যাস লিক কিংবা শর্ট সার্কিটের মতো ঘটনা না ঘটে, সেজন্য সেব্যাপারে আগাম প্রয়োজনীয় সাবধানতা নিতে বলা হয় হিমঘর মালিকদের।
Advertisement
পশ্চিমবঙ্গ হিমঘর মালিক সমিতির জলপাইগুড়ি সদরের কনভেনর কিশোর মারোদিয়া বলেন, সুষ্ঠভাবে যাতে আলুর বন্ড বিলির প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়, তা নিয়ে কোতোয়ালি থানায় পুলিসের সঙ্গে বৈঠক করা হয়েছে। প্রশাসনের নির্দেশ মতো আমরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেব।
জলপাইগুড়িতে ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে আলুর বন্ড বিলি শুরু হচ্ছে। ৭ মার্চ পর্যন্ত বন্ড বিলি হবে। ১১ মার্চ থেকে হিমঘরে আলু ঢোকা শুরু হবে। জলপাইগুড়ি জেলায় মোট ২৭টি হিমঘর। জলপাইগুড়ি সদর ব্লকে এতদিন সাতটি হিমঘর ছিল। এবার গড়ালবাড়ির কাছে নতুন একটি হিমঘর তৈরি হয়েছে। সেখানে দু’লক্ষ কুইন্টাল আলু সংরক্ষণ করা যাবে। ফলে আলু মজুত রাখা নিয়ে কোনও সমস্যা হবে না বলে মনে করছে হিমঘর মালিকপক্ষ।
হিমঘর মালিক সংগঠনের পক্ষে কিশোর মারোদিয়া বলেন, ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের উৎপাদিত আলু রাখার জন্য হিমঘরের ৩০ শতাংশ জায়গা মজুত রাখতে বলা হয়েছে। পঞ্চায়েত থেকে আলু চাষিদের নামের তালিকা পাঠানো হবে। আধার কার্ড দেখে তাঁদের আলু রাখা হবে হিমঘরে।
জলপাইগুড়িতে ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে আলুর বন্ড বিলি শুরু হচ্ছে। ৭ মার্চ পর্যন্ত বন্ড বিলি হবে। ১১ মার্চ থেকে হিমঘরে আলু ঢোকা শুরু হবে। জলপাইগুড়ি জেলায় মোট ২৭টি হিমঘর। জলপাইগুড়ি সদর ব্লকে এতদিন সাতটি হিমঘর ছিল। এবার গড়ালবাড়ির কাছে নতুন একটি হিমঘর তৈরি হয়েছে। সেখানে দু’লক্ষ কুইন্টাল আলু সংরক্ষণ করা যাবে। ফলে আলু মজুত রাখা নিয়ে কোনও সমস্যা হবে না বলে মনে করছে হিমঘর মালিকপক্ষ।
হিমঘর মালিক সংগঠনের পক্ষে কিশোর মারোদিয়া বলেন, ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের উৎপাদিত আলু রাখার জন্য হিমঘরের ৩০ শতাংশ জায়গা মজুত রাখতে বলা হয়েছে। পঞ্চায়েত থেকে আলু চাষিদের নামের তালিকা পাঠানো হবে। আধার কার্ড দেখে তাঁদের আলু রাখা হবে হিমঘরে।



