সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: জেলা হাসপাতালের আউটডোরে রোগীর চাপ কমাতে আলিপুরদুয়ার পুর এলাকায় এই মুহূর্তে পাঁচটি সুস্বাস্থ্য কেন্দ্র চলছে। যদিও সেগুলি এতদিন ভাড়া বাড়িতে কিছুটা পরিকাঠামোহীনভাবে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছিল। এর মধ্যে সোমবার তিনটি সুস্বাস্থ্য কেন্দ্রকে পুরসভা নিজস্ব ঝাঁ চকচকে নতুন বিল্ডিং বাড়িতে স্থানান্তর করল। এদিন ৩, ৪ ও ১৮ নম্বর এই তিনটি ওয়ার্ডের সুস্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলিকে পুরসভা নিজস্ব ভবনে স্থানান্তর করল। উদ্বোধন করেন জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ সুমিত গঙ্গোপাধ্যায়। উপস্থিত ছিলেন পুর চেয়ারম্যান প্রসেনজিৎ কর, ভাইস চেয়ারপার্সন মাম্পি অধিকারী, ডিপিএসসি’র চেয়ারম্যান পরিতোষ বর্মন ও সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের কাউন্সিলাররা। জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক বলেন, হাসপাতালের আউটডোরে রোগীর চাপ কমাতে সাহায্য করে পুর এলাকায় থাকা এই সুস্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলি। বাড়ির পাশে সুস্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলিতে ওয়ার্ডের মানুষেরা বিনামূল্যে নানা প্রাথমিক চিকিৎসার সুযোগ পাবেন।
Advertisement
পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, এক একটি সুস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ভবন নির্মাণে খরচ হয়েছে ৩৪ লক্ষ টাকা। প্রতিটি সুস্বাস্থ্য কেন্দ্র দ্বিতল বিশিষ্ট ভবন। সুডার দেওয়া অর্থে এই সুস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ভবনগুলি তৈরি করছে রাজ্যের মিউনিসিপ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্ট। পুর চেয়ারম্যান বলেন, শহরের ৮ ও ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে আরও দু’টি সুস্বাস্থ্য কেন্দ্রের নিজস্ব ভবনের কাজ চলছে। ওই দু’টি সুস্বাস্থ্য কেন্দ্রও ভাড়া বাড়িতে চলছে। দ্রুত কাজ শেষ করে ওই দু’টি সুস্বাস্থ্য কেন্দ্রকেও ভাড়া বাড়ি থেকে নতুন ভবনে স্থানান্তর করা হবে। পুর এলাকায় আরও কয়েকটি সুস্বাস্থ্য কেন্দ্র তৈরি করা হবে।
নিউ আলিপুরদুয়ারের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে পুরসভার মাতৃসদন আছে। সেখানেও রোগীদের বিনামূল্যে প্রাথমিক চিকিৎসা করা হয়। তার সঙ্গেই চলছে পুরসভার সুস্বাস্থ্য কেন্দ্র। প্রতিটি সুস্বাস্থ্য কেন্দ্রে স্বাস্থ্যদপ্তর থেকে একজন করে চিকিৎসক ও নার্স দেওয়া হয়েছে। জেলা স্বাস্থ্যদপ্তর জানিয়েছে, পুর এলাকায় আরও কয়েকটি সুস্বাস্থ্য কেন্দ্র হলে জেলা হাসপাতালের আউটডোরে ভবিষ্যতে আরও রোগীর চাপ কমে যাবে।
নিউ আলিপুরদুয়ারের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে পুরসভার মাতৃসদন আছে। সেখানেও রোগীদের বিনামূল্যে প্রাথমিক চিকিৎসা করা হয়। তার সঙ্গেই চলছে পুরসভার সুস্বাস্থ্য কেন্দ্র। প্রতিটি সুস্বাস্থ্য কেন্দ্রে স্বাস্থ্যদপ্তর থেকে একজন করে চিকিৎসক ও নার্স দেওয়া হয়েছে। জেলা স্বাস্থ্যদপ্তর জানিয়েছে, পুর এলাকায় আরও কয়েকটি সুস্বাস্থ্য কেন্দ্র হলে জেলা হাসপাতালের আউটডোরে ভবিষ্যতে আরও রোগীর চাপ কমে যাবে।



