নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার ও সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: নির্বাচনী বিধি উঠতেই কোচবিহারে আবাস যোজনার সমীক্ষা শুরু হল। রবিবার থেকে জেলায় এই সমীক্ষা শুরু হয়েছে। জেলায় মোট ৩ লক্ষ ৯১ হাজার ৪৭৫টি পরিবারের মধ্যে এই সমীক্ষা হবে। এরমধ্যে ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসের পর আবাস যোজনায় অনুমোদন পাওয়া তালিকাভুক্তের সংখ্যা রয়েছে ১ লক্ষ ৩৪ হাজার ৬০৫। পার্মানেন্ট ওয়েটিং লিস্টে আছেন ২ লক্ষ ৫৪ হাজার ৯৫৩। গ্রিভান্স পোর্টালে আবেদনকারীর সংখ্যা ১৯১৭টি। জেলার মোট ১১১৪ টিম এই সমীক্ষা করবে। সোমবার জেলাশাসকের দপ্তরে আবাস নিয়ে বৈঠক হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন জেলাশাসক অরবিন্দকুমার মিনা, অতিরিক্ত জেলা শাসক (জেলা পরিষদ) সৌমেন দত্ত সহ বিভিন্নস্তরের আধিকারিকরা। আগামী ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই সমীক্ষা চলবে। হবে সুপার সার্ভে। গ্রাম সংসদ, ব্লক ও জেলাস্তরে খতিয়ে দেখে তবেই তালিকা রাজ্যস্তরে পাঠানো হবে। ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে এই সমস্ত কাজ সেরে ১৬ ডিসেম্বর তালিকা পাঠানো হবে। অতিরিক্ত জেলাশাসক (জেলা পরিষদ) বলেন, আবাস যোজনার সমীক্ষা শুরু হয়েছে। ২১-২৩ ডিসেম্বরের মধ্যে টাকা ছাড়া হবে।
Advertisement
সোমবার থেকে আলিপুরদুয়ার জেলাজুড়েও আবাসের তালিকা যাচাইয়ের কাজ শুরু হয়েছে। এদিন জেলার প্রশাসনিক ভবন ডুয়ার্সকন্যায় আবাসের সমীক্ষা নিয়ে বৈঠক হয়।
জেলা পরিষদের সভাধিপতি স্নিগ্ধা শৈব, জেলাশাসক আর বিমলা, পুলিস সুপার ওয়াই রঘুবংশী, সব ব্লকের বিডিও, জেলা পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। ২০২২ সালে জেলায় আবাসের একটি সমীক্ষা হয়েছিল। সেই সমীক্ষা তালিকায় আবাসের ঘরের জন্য জেলায় ১ লক্ষ ১৭ হাজার মানুষের নাম নথিভুক্ত করা হয়েছিল। আবাসের সেই তালিকা ধরেই যাচাইয়ের কাজ শুরু হয়েছে। জেলাশাসক বলেন, এই সমীক্ষার জন্য জেলাজুড়ে ৪০০টি টিম তৈরি করা হয়েছে। টিমের সদস্যরা সকলেই সরকারি কর্মচারী। ৫ ডিসেম্বর সমীক্ষার রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে।
জেলা পরিষদের সভাধিপতি স্নিগ্ধা শৈব, জেলাশাসক আর বিমলা, পুলিস সুপার ওয়াই রঘুবংশী, সব ব্লকের বিডিও, জেলা পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। ২০২২ সালে জেলায় আবাসের একটি সমীক্ষা হয়েছিল। সেই সমীক্ষা তালিকায় আবাসের ঘরের জন্য জেলায় ১ লক্ষ ১৭ হাজার মানুষের নাম নথিভুক্ত করা হয়েছিল। আবাসের সেই তালিকা ধরেই যাচাইয়ের কাজ শুরু হয়েছে। জেলাশাসক বলেন, এই সমীক্ষার জন্য জেলাজুড়ে ৪০০টি টিম তৈরি করা হয়েছে। টিমের সদস্যরা সকলেই সরকারি কর্মচারী। ৫ ডিসেম্বর সমীক্ষার রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে।



