সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: এবছর আলিপুরদুয়ার জেলায় রাজ্য থেকে ১ লক্ষ ২০ হাজার মেট্রিক টন ধান কেনার লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছে। অসম সীমানা রাজ্যের প্রান্তিক জেলা আলিপুরদুয়ার চা বাগান ও বনাঞ্চলে ঘেরা। ফলে আলিপুরদুয়ার জেলায় ধান কেনার এই লক্ষ্যমাত্রায় আদৌ পৌঁছনো যাবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে ওয়াকিবহাল মহলের মধ্যে। যদিও জেলায় ধান কেনার এই নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছতে খাদ্যদপ্তর যাবতীয় চেষ্টা চালাবে।
Advertisement
জেলা কৃষিদপ্তর জানিয়েছে, আলিপুরদুয়ার জেলায় ধান চাষের জমি আছে ৯৪ হাজার ১৪ হেক্টরের মতো। অন্যদিকে রয়েছে চা বাগান, বনাঞ্চল, অনাবাদি ও জলা জমিও। ফলে রাজ্য থেকে বেঁধে দেওয়া জেলায় ধান কেনার এই লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছনো যাবে কি না, তা নিয়ে ওয়াকিবহাল মহলের মধ্যেই সংশয় রয়েছে। জেলা খাদ্য নিয়ামক সুব্রত নন্দী বলেন, রাজ্য থেকে জেলায় দেওয়া ১ লক্ষ ২০ হাজার মেট্রিক টন ধান কেনার লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছতে যাবতীয় চেষ্টা চালাব। সদ্য ধান কেনা শুরু হয়েছে জেলায়। এখনও পর্যন্ত মাত্র ৬ হাজার মেট্রিক টন ধান কেনা হলেও, ডিসেম্বরের মাঝামাঝি নাগাদ ধান কেনার কাজে গতি আসবে।
ভুটান ও অসম সীমানায় আলিপুরদুয়ার জেলায় ছ’টি ব্লক। এর মধ্যে কালচিনি, কুমারগ্রাম ও মাদারিহাট পুরোপুরি চা বাগান ও জঙ্গল ঘেরা ব্লক। আলিপুরদুয়ার-১, ফালাকাটা ব্লকেও চা বাগান ও জঙ্গল রয়েছে। এরমধ্যে কালচিনি ব্লকে ধান চাষের জমি একেবারেই সীমিত। খাদ্যদপ্তর কালচিনি ব্লকে ধান কিনছেও না। ফলে আলিপুরদুয়ারকে স্বয়ংসম্পূর্ণ ধান উৎপাদক জেলা বলা কতটা সমীচীন তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। যদিও জেলা কৃষিদপ্তর জানিয়েছে, আলিপুরদুয়ার অবশ্যই ধান উৎপাদক জেলা। এই জেলার প্রধান ফসলই ধান।
খাদ্যদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, এবার ধান কেনার জন্য জেলায় ১১টি সরকারি ক্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। মোবাইল ধান ক্রয়কেন্দ্র রয়েছে চারটি। ৩০টি মহিলা স্বনির্ভর গোষ্ঠীকেও ধান কেনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও বেশ কয়েকটি সমবায় সমিতিও ধান কিনছে। খাদ্যদপ্তর জানিয়েছে, জেলায় ১৪টি রাইস মিল রয়েছে। ফলে জেলায় ধান রাখতে কোনও সমস্যা হবে না। জেলার ধান জেলাতেই থাকবে।
উল্লেখ্য, এবছর সরকারিভাবে কুইন্টাল প্রতি সহায়ক মূল্য ২৩২০ টাকা দরে চাষিদের কাছ থেকে ধান কেনা হচ্ছে। এরমধ্যে সরকারি ক্রয় কেন্দ্রে গিয়ে ধান বিক্রির জন্য চাষিদের উৎসাহ ভাতা হিসেবে ২০ টাকা দেওয়া হচ্ছে।
ভুটান ও অসম সীমানায় আলিপুরদুয়ার জেলায় ছ’টি ব্লক। এর মধ্যে কালচিনি, কুমারগ্রাম ও মাদারিহাট পুরোপুরি চা বাগান ও জঙ্গল ঘেরা ব্লক। আলিপুরদুয়ার-১, ফালাকাটা ব্লকেও চা বাগান ও জঙ্গল রয়েছে। এরমধ্যে কালচিনি ব্লকে ধান চাষের জমি একেবারেই সীমিত। খাদ্যদপ্তর কালচিনি ব্লকে ধান কিনছেও না। ফলে আলিপুরদুয়ারকে স্বয়ংসম্পূর্ণ ধান উৎপাদক জেলা বলা কতটা সমীচীন তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। যদিও জেলা কৃষিদপ্তর জানিয়েছে, আলিপুরদুয়ার অবশ্যই ধান উৎপাদক জেলা। এই জেলার প্রধান ফসলই ধান।
খাদ্যদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, এবার ধান কেনার জন্য জেলায় ১১টি সরকারি ক্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। মোবাইল ধান ক্রয়কেন্দ্র রয়েছে চারটি। ৩০টি মহিলা স্বনির্ভর গোষ্ঠীকেও ধান কেনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও বেশ কয়েকটি সমবায় সমিতিও ধান কিনছে। খাদ্যদপ্তর জানিয়েছে, জেলায় ১৪টি রাইস মিল রয়েছে। ফলে জেলায় ধান রাখতে কোনও সমস্যা হবে না। জেলার ধান জেলাতেই থাকবে।
উল্লেখ্য, এবছর সরকারিভাবে কুইন্টাল প্রতি সহায়ক মূল্য ২৩২০ টাকা দরে চাষিদের কাছ থেকে ধান কেনা হচ্ছে। এরমধ্যে সরকারি ক্রয় কেন্দ্রে গিয়ে ধান বিক্রির জন্য চাষিদের উৎসাহ ভাতা হিসেবে ২০ টাকা দেওয়া হচ্ছে।



