সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: আলিপুরদুয়ারে এবারও হিট সেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডার। সব প্রকল্পকে টেক্কা দিয়ে প্রথম লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প। দ্বিতীয় স্থানে ওল্ড এজ পেনশন স্কিম।
Advertisement
গত ২৪ জানুয়ারি শুরু হয় দুয়ারে সরকার কর্মসূচি। শেষ হয়েছে ১ ফেব্রুয়ারি। এবার নবম দুয়ারে সরকার কর্মসূচিতে যুক্ত হয় মোট ৩৭টি প্রকল্প। ডুয়ার্সের আলিপুরদুয়ার জেলায় ন’দিনের দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে এসেছে ১ লক্ষ ১৫ হাজার ৪৫৯ জন মানুষ। শিবিরে মানুষ আসার ক্ষেত্রে জেলায় শীর্ষে রয়েছে কালচিনি ব্লক। এই ব্লকে শিবিরে এসেছেন ৩২ হাজার জন। তারপরেই আছে আলিপুরদুয়ার-১ ব্লক। আলিপুরদুয়ার-১ ব্লকে শিবিরে এসেছেন ২০ হাজার জন। শিবিরে লোক আসার ক্ষেত্রে তৃতীয় স্থানে রয়েছে কুমারগ্রাম ব্লক। অসম সীমানায় এই ব্লকের শিবিরে এসেছে ১৮ হাজার মানুষ। তারপরেই আছে মাদারিহাট ব্লক। চা বলয় মাদারিহাট ব্লকের শিবিরে এসেছেন ১৮ হাজার জন। অষ্টম দুয়ারে সরকার শিবিরের মতো এবারও সব প্রকল্পকে পিছনে ফেলে শীর্ষে উঠে এসেছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প। একেবারে ছক্কা হাঁকিয়ে অন্যসব প্রকল্পকে টেক্কা দিয়ে বেড়িয়ে গিয়েছে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পটি। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে জমা পড়েছে ৬০০০ আবেদন। তারপরেই রয়েছে বৃদ্ধ ভাতার আবেদন। সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের জন্য গোটা জেলা থেকে আবেদন জমা হয়েছে ১ হাজার ৪৫০টি।
জেলাশাসক আর বিমলা বলেন, শনিবার রাজ্য থেকে দুয়ারে সরকারের এই রিপোর্ট জেলায় এসেছে। শেষ মুহূর্তে যাঁরা দুয়ারে সরকার শিবিরে এসে আবেদনপত্র জমা দিতে পারেননি এখন তাঁদেরও আবেদনপত্র জমা নেওয়ার কাজ চলছে। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে সব থেকে বেশি আবেদন জমা পড়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে কোন ব্লকে কত আবেদন জমা পড়েছে জেলা প্রশাসন রবিবার পর্যন্ত এই পরিসংখ্যান দিতে পারেনি। অবশ্য প্রশাসন সূত্রে খবর, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে আবেদন জমা পড়ার দৌড়ে এগিয়ে চা বলয়ের ব্লকগুলি। তারপরেই রয়েছে গ্রামীণ ব্লক। জেলাশাসক বলেন, এক-দু’ দিনের মধ্যে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের ব্লক ভিত্তিক আবেদনের পরিসংখ্যান মিলবে।
জেলাশাসক আর বিমলা বলেন, শনিবার রাজ্য থেকে দুয়ারে সরকারের এই রিপোর্ট জেলায় এসেছে। শেষ মুহূর্তে যাঁরা দুয়ারে সরকার শিবিরে এসে আবেদনপত্র জমা দিতে পারেননি এখন তাঁদেরও আবেদনপত্র জমা নেওয়ার কাজ চলছে। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে সব থেকে বেশি আবেদন জমা পড়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে কোন ব্লকে কত আবেদন জমা পড়েছে জেলা প্রশাসন রবিবার পর্যন্ত এই পরিসংখ্যান দিতে পারেনি। অবশ্য প্রশাসন সূত্রে খবর, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে আবেদন জমা পড়ার দৌড়ে এগিয়ে চা বলয়ের ব্লকগুলি। তারপরেই রয়েছে গ্রামীণ ব্লক। জেলাশাসক বলেন, এক-দু’ দিনের মধ্যে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের ব্লক ভিত্তিক আবেদনের পরিসংখ্যান মিলবে।



