সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: আলিপুরদুয়ারে বিজেপির সদস্য সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছিল দুই লক্ষ। কিন্তু বুধবার পর্যন্ত হিসেব বলছে আলিপুরদুয়ারে জেলা বিজেপি সেই লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থ। কারণ বুধবার পর্যন্ত জেলায় বিজেপির সদস্য সংগ্রহ হয়েছে ১ লক্ষ ২০ হাজারের মতো। এদিকে কাল, শনিবার জেলায় শেষ হচ্ছে বিজেপির সদস্য সংগ্রহ অভিযান। ফলে সদস্য সংগ্রহের নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রার যে পৌঁছনো যাচ্ছে না তা একরকম পরিষ্কার।
Advertisement
যদিও বিজেপি নেতৃত্বের সাফাই, দলীয় সদস্যতা অভিযান চলছে ডিজিটালে। কিন্তু এই জেলা চা বাগান ও বনবস্তি অধ্যুষিত। দুর্গম চা বাগান ও বনবস্তি এলাকায় নেটওয়ার্কের সমস্যা ভোগাচ্ছে। চা শ্রমিকদের অনেকেরই স্মার্ট ফোনও নেই। এই সমস্যাতেও পড়তে হচ্ছে। ফলে জেলায় সদস্য সংগ্রহের নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছাতে দলকে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
বিজেপির সদস্য সংগ্রহ অভিযানের জেলা ইনচার্জ মিঠু দাস বলেন, চা বাগান ও বনবস্তি এলাকায় নেটওয়ার্ক সমস্যার জন্য এমন পরিস্থিতি। চা শ্রমিকদের অনেকেরই স্মার্ট ফোনও নেই। তারজন্যই দলের সদস্য সংগ্রহ অভিযান হোঁচট খাচ্ছে। হাতে এখনও তিনদিন সময় আছে। আশা করছি, তারমধ্যেই দল সদস্য সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছে যাবে।
জেলার পাঁচটি বিধানসভার মধ্যে বিজেপির সবচেয়ে সদস্য সংগ্রহের হাল খারাপ খোদ দলের জেলা সভাপতি এমপি মনোজ টিগ্গার বিধানসভা মাদারিহাটে। তারপরেই রয়েছে দলীয় বিধায়ক বিশাল লামার বিধানসভা ক্ষেত্র কালচিনি। মাদারিহাটে এখনও পর্যন্ত ১৫ হাজারের মতো সদস্য সংগ্রহ হয়েছে বলে জেলা বিজেপি সূত্রে খবর। কালচিনিতে সদস্য সংগ্রহ হয়েছে ১৬ হাজারের মতো।
এখনও পর্যন্ত বিজেপির সবচেয়ে বেশি সদস্য সংগ্রহ হয়েছে আলিপুরদুয়ার, কুমারগ্রাম ও ফালাকাটা বিধানসভায়। তিনটি বিধানসভাতে বিজেপির সদস্য সংগ্রহ হয়েছে ৩০ হাজারের মতো করে। খোদ দলের জেলা সভাপতির বিধানসভা এলাকায় সদস্য সংগ্রহ কম হওয়ার পিছনে ওই বিধানসভায় উপ নির্বাচনে দলীয় কর্মীদের ব্যস্ত থাকার কারণ বলা হয়েছে।
বিজেপির সদস্য সংগ্রহ অভিযানের জেলা ইনচার্জ মিঠু দাস বলেন, চা বাগান ও বনবস্তি এলাকায় নেটওয়ার্ক সমস্যার জন্য এমন পরিস্থিতি। চা শ্রমিকদের অনেকেরই স্মার্ট ফোনও নেই। তারজন্যই দলের সদস্য সংগ্রহ অভিযান হোঁচট খাচ্ছে। হাতে এখনও তিনদিন সময় আছে। আশা করছি, তারমধ্যেই দল সদস্য সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছে যাবে।
জেলার পাঁচটি বিধানসভার মধ্যে বিজেপির সবচেয়ে সদস্য সংগ্রহের হাল খারাপ খোদ দলের জেলা সভাপতি এমপি মনোজ টিগ্গার বিধানসভা মাদারিহাটে। তারপরেই রয়েছে দলীয় বিধায়ক বিশাল লামার বিধানসভা ক্ষেত্র কালচিনি। মাদারিহাটে এখনও পর্যন্ত ১৫ হাজারের মতো সদস্য সংগ্রহ হয়েছে বলে জেলা বিজেপি সূত্রে খবর। কালচিনিতে সদস্য সংগ্রহ হয়েছে ১৬ হাজারের মতো।
এখনও পর্যন্ত বিজেপির সবচেয়ে বেশি সদস্য সংগ্রহ হয়েছে আলিপুরদুয়ার, কুমারগ্রাম ও ফালাকাটা বিধানসভায়। তিনটি বিধানসভাতে বিজেপির সদস্য সংগ্রহ হয়েছে ৩০ হাজারের মতো করে। খোদ দলের জেলা সভাপতির বিধানসভা এলাকায় সদস্য সংগ্রহ কম হওয়ার পিছনে ওই বিধানসভায় উপ নির্বাচনে দলীয় কর্মীদের ব্যস্ত থাকার কারণ বলা হয়েছে।



