দীপাবলি আলোর উৎসব। অন্ধকারকে দূর করে ভালোর দিকে যাত্রা। সেই শুভক্ষণে চতুষ্পর্ণীর শ্যুটে অভিনেতা জুটি সাহেব ভট্টাচার্য ও সুস্মিতা দে।
মাথার উপর ঝাড়বাতির আলো। গাঁদা ও রজনীগন্ধার মালায় সাজানো হয়েছে। তার মাঝে নীল শাড়ির আঁচল হাওয়ায় উড়িয়ে এসে দাঁড়ালেন সুস্মিতা দে। কনট্রাস্ট ফুশিয়া পিঙ্ক ব্লাউজের সঙ্গে মিলিয়ে কানের পাশে দেওয়া হয়েছে গোলাপ ফুল। লম্বা বিনুনি সাবেকি লুক তৈরি করেছে। গলায় চোকার। হাতে বালা। কানপাশা, আংটিও ঐতিহ্যের সাক্ষী। সুস্মিতার পিছনে রয়েছেন সাহেব ভট্টাচার্য। তাঁর পরনে সিল্কের পাঞ্জাবি ও চুড়ি পাজামা। গলায় সোনার হার। চতুষ্পর্ণীর দিওয়ালি স্পেশাল ফোটোশ্যুটে এভাবেই সাজলেন এই অভিনেতা জুটি। ধনতেরস ও দীপাবলির মরশুমে সোনা কেনার নিয়ম থাকে বহু পরিবারে। তাই সাজের মধ্যেও গয়নার প্রাধান্য রয়েছে। দ্বিতীয় লুকে সুস্মিতার পরনে ছিল পাউডার ব্লু রঙের ঘাগরা চোলি। তার সঙ্গে কম্বিনেশন করে সাহেব পরেছিলেন বেজ রঙের পাঞ্জাবি। সুস্মিতার হাতে ধরা প্রদীপের থালা। এসময় প্রতিটি বাড়ি আলোর মালায় সেজে ওঠে। সাহেব, সুস্মিতাও বাড়ি সাজিয়ে তোলেন। দুর্গাপুজো একসঙ্গে কাটিয়েছেন। দীপাবলিতেও পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে আনন্দ করবেন। সাবেকি সাজ, আলোর বাজি, খাওয়াদাওয়া, আড্ডায় ভরে উঠবে তাঁদের উৎসব। শোনা যাচ্ছে, খুব তাড়াতাড়িই নাকি চারহাত এক হবে। প্রশ্ন শুনে হেসে এড়িয়ে গেলেন তাঁরা। জানালেন, যে কোনো পরিস্থিতিতে সকলকে সঙ্গে নিয়ে ভালো থাকার চেষ্টা তাঁদের বজায় থাকবে।
স্বরলিপি ভট্টাচার্য



