সংবাদদাতা, বনগাঁ: রোগীর মৃত্যুতে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুললেন আত্মীয়রা। নার্সিংহোমের বিরুদ্ধে তাঁরা থানার দ্বারস্থ হয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে গাইঘাটা থানার পাঁচপোতা এলাকায়। যদিও গাফিলতির অভিযোগ অস্বীকার করেছে নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ।
সংবাদদাতা, বনগাঁ: রোগীর মৃত্যুতে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুললেন আত্মীয়রা। নার্সিংহোমের বিরুদ্ধে তাঁরা থানার দ্বারস্থ হয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে গাইঘাটা থানার পাঁচপোতা এলাকায়। যদিও গাফিলতির অভিযোগ অস্বীকার করেছে নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ।
গাইঘাটার আমকোলা এলাকার বাসিন্দা তুলিকা দাস (২৬) গলব্লাডারে পাথরের সমস্যায় ভুগছিলেন। শনিবার তাঁকে এলাকার এক নার্সিংহোমে ভরতি করা হয়। ওইদিনই তাঁর অস্ত্রোপচার করেন চিকিৎসক। অভিযোগ, অস্ত্রোপচার শুরু হওয়ার দীর্ঘসময় পর রোগীর কোনো খোঁজ না পেয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কোনো খবর জানতে না পেরে একপ্রকার জোর করে অপারেশন থিয়েটারে ঢুকে রোগীকে মৃতপ্রায় অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন তাঁরা। পরিবারের দাবি, তখন নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ জানায়, অস্ত্রোপচারের শুরুতেই রোগীর কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়েছিল। পরিবারের সদস্যরা অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করে রোগীকে বারাসাতের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানেই মৃত্যু হয় তুলিকার। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই মৃতদেহ নিয়ে গাইঘাটা থানায় বিক্ষোভে শামিল হন পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দারা। অভিযোগ, রোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলেও নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ অক্সিজেনের ব্যবস্থা করেনি। রোগীর আত্মীয়কে বাইরে থেকে অক্সিজেনের ব্যবস্থা করতে হয়েছে। যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নার্সিংহোমের মালিক অভিষেক যাদব। তিনি বলেন, নার্সিংহোমে পর্যাপ্ত পরিকাঠামো ছিল। রোগীর কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থাও করে দেওয়া হয়েছিল। পুলিশ সূত্রে খবর, একটা অভিযোগ হয়েছে। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।