Bartaman Logo
৮ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

মডেলিংয়ের টোপ দিয়ে লক্ষাধিক টাকা তোলার অভিযোগ হাওড়ায়

এক নাবালিকাকে মডেলিং ফটোশ্যুটের প্রলোভন দিয়ে ব্ল্যাকমেল এবং তোলাবাজির অভিযোগের তদন্তে নেমে বড়সড় অপরাধ চক্রের হদিশ পেলেন হাওড়া সিটি পুলিশের গোয়েন্দারা।

মডেলিংয়ের টোপ দিয়ে লক্ষাধিক টাকা তোলার অভিযোগ হাওড়ায়
  • ৮ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: এক নাবালিকাকে মডেলিং ফটোশ্যুটের প্রলোভন দিয়ে ব্ল্যাকমেল এবং তোলাবাজির অভিযোগের তদন্তে নেমে বড়সড় অপরাধ চক্রের হদিশ পেলেন হাওড়া সিটি পুলিশের গোয়েন্দারা। এই ঘটনায় এক মহিলা সহ মোট পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের বিরুদ্ধে পকসো, ধর্ষণ, তোলাবাজি, ব্ল্যাকমেল সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। হাওড়া সিটি পুলিশের ডিসি (ডিডি) রাহুল মিশ্র জানান, মূল অভিযুক্ত বারুইপুরের বাসিন্দা অতনু আগুয়ান ওরফে জিতু। তদন্তে জানা গিয়েছে, তার বান্ধবী তথা বার ডান্সার সোনালি কয়াল ফেসবুকের মাধ্যমে কমবয়সি মেয়েদের সঙ্গে যোগাযোগ করে মডেলিং ফটোশ্যুটের প্রস্তাব দিত। এরপর সোনালি সেই মেয়েদের অতনুর সঙ্গে পরিচয় করাত। সেখানে লক্ষ লক্ষ টাকা উপার্জনের টোপ দেওয়া হত মেয়েদের। এরপর ‘ন্যুড ফটোশ্যুটের’ নামে বিভিন্ন হোটেলে সেই মেয়েদের নিয়ে গিয়ে আপত্তিকর অবস্থায় ছবি তোলা হত। সেই ছবি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ব্ল্যাকমেল করত তারা। অভিযোগ, ভয় দেখিয়ে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে দফায় দফায় নগদ টাকা, সোনার গয়না আদায় করেছে এই চক্র। তদন্তকারীদের দাবি, এভাবে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। কিছুদিন আগে এক নাবালিকা হাওড়া সিটি পুলিশের সাইবার সেলে অভিযোগ দায়ের করলে তদন্ত শুরু হয়। সেই সূত্র ধরেই গোয়েন্দারা এই চক্রের নাগাল পান। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের মধ্যে অতনু ও সোনালি ছাড়াও রয়েছে রাকেশ মণ্ডল, রাজিব মণ্ডল এবং রাজেশ পাত্র। তদন্তে জানা গিয়েছে, কয়েকজন নাবালিকাকে ব্ল্যাকমেলের পাশাপাশি ধর্ষণও করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত অন্তত ন’জন নাবালিকা এই চক্রের শিকার হয়েছে বলে পুলিশের দাবি। এই চক্রের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ