সংবাদদাতা, তপন: তপন ব্লকের বালাপুরে হাসপাতালের পিছনে ৪০-৫০টি গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। অভিযোগ, বনদপ্তরের কোনও অনুমতি না নিয়ে সেই গাছগুলি কাটা হয়েছে। শুক্রবার সকালে বালাপুর হাসপাতালে পিছনে সরকারি জমিতে গাছ কাটতে দেখে স্থানীয় বাসিন্দারা তপন থানায় খবর দেন।
পরে তপন থানার পুলিস ও বালুরঘাট ফরেস্ট রেঞ্জের আধিকারিকেরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন। প্রশাসনের কর্তারা ঘটনাস্থলে আসার আগে গাছ কাটার কাজে নিযুক্ত শ্রমিকরা পালিয়ে যায়। ওই জমির মালিকানা দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা নিগেন সরকার। তবে তিনি যে গাছ কাটার জন্য বনদপ্তরের অনুমতি নেননি, তা স্বীকার করে নিয়েছেন। নিগেনের দাবি, ওই জমি লিজে নিয়েছি। ১২ বছর আগে ওই জমিতে আকাশমণি সহ অনেক গাছ লাগিয়েছিলাম। এখন সেই গাছ বিক্রি করার জন্য কাটছি।
প্রায় সাতদিন ধরে গাছ কাটা চলছে। বনদপ্তর জানিয়েছে, জমির মালিকানা প্রমাণিত হলেও গাছ কাটার আগে অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। বালুরঘাটের রেঞ্জার তাপস কুণ্ডু বলেন, ওই ব্যক্তিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, জমির বৈধ কাগজপত্র আগামিকালের মধ্যে জমা দিতে। জমির কাগজ দেখালেও অনুমতি ছাড়াই গাছ কাটার অপরাধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নিগেনের দাবি, যার কাছে গাছগুলি বিক্রি করেছি, সে-ই অনুমতি নেবে বলে আমাকে জানিয়েছিল। গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান রূপালী মণ্ডল বলেন, আমার কাছ থেকেও কেউ গাছ কাটার কোনও অনুমতি নেয়নি।