Bartaman Logo
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

ইউনুস সরকারের উপদেষ্টার বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটির দুর্নীতির অভিযোগ! চাঞ্চল্য

শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকাকালীন তাঁর বিরুদ্ধে বারবার দুর্নীতির অভিযোগ তুলতেন বিরোধীরা। তাঁর দেশত্যাগের পর দায়িত্ব নিয়েছিলেন মহম্মদ ইউনুস।

ইউনুস সরকারের উপদেষ্টার বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটির দুর্নীতির অভিযোগ! চাঞ্চল্য
  • ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

ঢাকা: শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকাকালীন তাঁর বিরুদ্ধে বারবার দুর্নীতির অভিযোগ তুলতেন বিরোধীরা। তাঁর দেশত্যাগের পর দায়িত্ব নিয়েছিলেন মহম্মদ ইউনুস। এবার ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকারের অন্যতম উপদেষ্টা তথা জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়ার বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচারের অভিযোগ উঠল! বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সংস্থাটির দাবি, হাজার হাজার কোটি টাকা অস্ট্রেলিয়া, দুবাই, সুইত্জারল্যান্ড ও সিঙ্গাপুরে পাচার করেছেন আসিফ। পর্তুগালেও জমি কিনেছেন তিনি।

Advertisement

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বাণিজ্য, যুব ও ক্রীড়া ও স্থানীয় সরকারের মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রকের দায়িত্বে ছিলেন আসিফ। দুদক জানিয়েছে, পদের সুবিধা নিয়ে অস্ট্রেলিয়া, দুবাই ও সিঙ্গাপুরে বিপুল অঙ্কের টাকা পাচার করেছেন তিনি। এর মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নিয়োগে প্রায় ৬০ কোটি টাকা এবং সারা দেশে জেলাশাসক সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে ৫০ থেকে ৬৫ কোটি টাকা পর্যন্ত ঘুষ নিয়েছেন আসিফ। বিভিন্ন প্রকল্পের টেন্ডার দুর্নীতিতেও নাম জড়িয়েছে ওই ছাত্রনেতার। আসিফের আমলে সেতু নির্মাণ, পানীয় জল, স্টেডিয়াম ও অন্যান্য প্রকল্প তৈরির খরচ কয়েক হাজার কোটি টাকা বাড়িয়ে দেখানো হয়েছে। সেই বিপুল পরিমাণ টাকা গিয়েছে আসিফের পকেটেই।  এছাড়া হেলিকপ্টারে ভ্রমণ, পাঁচতারা হোটেলে যাতায়াত, বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে বসবাস ও গাড়িতে যাতায়াত করেও দেদারে সরকারি টাকা উড়িয়েছেন তিনি। এই দুর্নীতিতে নাম জড়িয়েছে আসিফের বাবা ও তাঁর দুই সহকারীরও। যদিও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন ওই ছাত্রনেতা। আসিফের অভিযোগ, দুদক-কে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করছে বর্তমান সরকার। অথচ আওয়ামি লিগের আমলে ব্যাপক দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের ঘটনায় দুর্নীতি কমিশন কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না।
এদিকে, মঙ্গলবার পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মহম্মদ আলি জিন্না ও জামাতের প্রথম প্রধান গোলাম আজমের ছবি পা দিয়ে মাড়িয়ে বিক্ষোভ দেখালেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। সম্প্রতি ঢাকা ইউনিভার্সিটি সেন্ট্রাল স্টুডেন্টস ইউনিয়নের (ডাকসু) সংগ্রহশালায় জিন্নার ছবি লাগানো হয়। তাই নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। পরে ওই ছবি খুলে দেন পড়ুয়াদের একাংশ। কিন্তু তা নিয়ে আবার পালটা সরব হয় ইনকিলাব মঞ্চ। মঙ্গলবার দুপুরে সংগ্রহশালার সামনে জিন্না ও আজমের ছবি ফেলে মাড়িয়ে দেন পড়ুয়ারা। তাঁদের দাবি, পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল হিসাবে জিন্না বাংলাদেশে (তত্কালীন পূর্ব পাকিস্তান) উর্দুভাষা চাপিয়ে দিতে চেয়েছিলেন। ফলে, তাঁর ছবি সংগ্রহশালায় থাকবে না।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ