সংবাদদাতা, নাগরাকাটা: এক হাতুড়ে ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় ক্রান্তি ব্লকের চাপাডাঙ্গা গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসুসুবা এলাকার এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ। শিশুর বাবা এনিয়ে থানায় অভিযোগ করেছেন। পুলিশ রবিবার রাতে ওই ডাক্তারকে গ্রেফতার করেছে। মাল থানার আইসি সৌম্যজিৎ মল্লিক বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে এক কোয়াক ডাক্তারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সোমবার তাকে জলপাইগুড়ি জেলা আদালতে পাঠানো হবে। যেহেতু কোয়াক ডাক্তারের ইঞ্জেকশন দেওয়ার অধিকার নেই। কিন্তু সে ইঞ্জেকশন দিয়েছে বলে শিশুটি রক্তবমি করে মারা গিয়েছে বলে অভিযোগ। তাই তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত শিশুটির নাম দিশান রায় (৩)।বাড়ি বাসুসুবা মাস্টারপাড়ায়। তিন দিন আগে দিশানের জ্বর হয়। সেই সময় বাবা বিকাশ রায় ছেলেকে বাসুসুবা বাজারে নুর আলম নামে এক কোয়াক ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান। সেই সময় ডাক্তার শিশুটিকে ওষুধ দেওয়ার পাশাপাশি একটি ইঞ্জেকশন দেয়। পরদিন ২৪ অক্টোবর শিশুটির রক্তবমি হয়। শিশুটির বাবা ডাক্তারকে ফোন করে জানান। ডাক্তার তাঁকে বমির ওষুধ নিয়ে যেতে বলে। ওই ওষুধ খাওয়ানোর পর শিশুটির অবস্থার অবনতি হয়। এরপরই শিশুটিকে তার বাবা জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেদিন সন্ধ্যায় শিশুটির মৃত্যু হয়। রবিবার দুপুরে প্রতিবেশীরা হাতুড়ে ডাক্তারের চেম্বারে গিয়ে কৈফিয়ত তলব করেন। এতে সাময়িক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। প্রতিবেশীরাই হাতুড়ে ডাক্তারকে ধরে ক্রান্তি ফাঁড়ির পুলিশের হাতে তুলে দেন। এদিন রাত শিশুটির বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।



