বরোদা: টানা পাঁচটি একদিনের ম্যাচে ফিফটি প্লাস স্কোর। স্বপ্নের ছন্দে বিরাট কোহলি। এই ঘরানায় তিনশো প্লাস রান তাড়া করার ক্ষেত্রে তাঁর সাফল্য নজিরবিহীন। পঞ্চাশ ওভারের ফরম্যাটে মোট ৪৫ বার ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ তিনি। ম্যাচের সেরা হওয়াকে যেন অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছেন ৩৭ বছর বয়সি মহাতারকা।
নায়কের অবশ্য পরিসংখ্যানে বিশেষ আগ্রহ নেই। ম্যাচ শেষে ভিকে বলেন, ‘সত্যিই জানি না, কতবার সেরা হয়েছি। গুরগাঁওয়ে মায়ের কাছে সব ট্রফি পাঠিয়ে দিই। তিনিই ওগুলো যত্ন করে রাখেন। তবে মানতেই হবে যে, আমার ক্রিকেটীয় সফর স্বপ্নপূরণের মতো। যা হয়েছি, তার নেপথ্যে প্রচুর পরিশ্রম রয়েছে। ঈশ্বর আমাকে সবদিক থেকেই ভরিয়ে দিয়েছেন। আমি কৃতজ্ঞ। তবে আমি কখনও মাইলস্টোন নিয়ে ভাবি না।’
এখন ক্রিজে নেমেই বড় শট নিতে থাকেন কোহলি। এর কারণ কী? তাঁর উত্তর, ‘তিন নম্বরে নামি। আগে পরিস্থিতি অনুযায়ী ব্যাট করতাম। তবে এখন কাউন্টার অ্যাটাকের পথে হাঁটি। বিপক্ষকে চাপে ফেলাই থাকে লক্ষ্য।’ তিনি ক্রিজে যাওয়ার সময় যে পরিমাণ উচ্ছ্বাস দেখা যায়, তাতে আউট হওয়া ব্যাটসম্যানের তো খারাপ লাগতে বাধ্য। এই প্রসঙ্গে কোহলি বললেন, ‘অবশ্যই এটা পছন্দ করি না। তবে ধোনির ক্ষেত্রেও এমনই হত। এত মানুষকে আনন্দ দিতে পারায় আমি তৃপ্ত।’
নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওডিআই সিরিজের প্রথম ম্যাচে ভারতের জয়ে স্বস্তিতে শুভমান গিল। ভারতীয় অধিনায়কের কাছে এই ম্যাচ বিশেষ তাত্পর্যপূর্ণ ছিল। সম্প্রতি টি-২০ বিশ্বকাপ দল থেকে বাদ পড়েছেন তিনি। তাছাড়া চোটের জন্য দীর্ঘদিন মাঠের বাইরে ছিলেন। রানও পাচ্ছিলেন না। শুভমান বলেন, ‘আমি সর্বদাই বর্তমানে থাকতে চাই। আগে যা ঘটেছে তা নিয়ে অযথা চিন্তা করি না। নিউজিল্যান্ড কঠিন প্রতিপক্ষ। বিরাট-ভাই দারুণ খেলল। তাতেই কাজটা সহজ হয়ে যায়।’
নজর ছিল শ্রেয়স আয়ারের দিকেও। অস্ট্রেলিয়া সফরে চোট পেয়ে দীর্ঘদিন মাঠের বাইরে ছিলেন। প্রত্যাবর্তনেই ছন্দে দেখা গেল মুম্বইকরকে। লোকেশ রাহুলও দায়িত্ব নিয়ে টিমকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন। খেলা শেষে কেএল বলেন, ‘টপ অর্ডার দারুণ খেলেছে। শেষদিকে হর্ষিতের ঝোড়ো ২৯ রানের ইনিংসই চাপ কমিয়ে দেয়। তবে ওয়াশিংটনের চোট ছিল। আমি জানতামই না যে, ও একেবারেই দৌড়তে পারবে না।’ গভীর রাতের খবর, ঋষভ পন্থের মতো এই সিরিজ থেকে ছিটকে গেলেন সুন্দরও।