Bartaman Logo
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

৯ মে ২০২৭ এর মধ্যে কোচবিহারবাসীর সব প্রত্যাশা পূরণ হবে, কোচবিহার থেকে বক্তব্য মুখ্যমন্ত্রীর

আজ, মঙ্গলবার কোচবিহার সফরে এসেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যে পালাবদলের পর এটাই তাঁর প্রথম কোচবিহার সফর। কোচবিহার বিমানবন্দরে নেমেই আজ তিনি মদনমোদন মন্দিরে এসে পুজো দেন।

৯ মে ২০২৭ এর মধ্যে কোচবিহারবাসীর সব প্রত্যাশা পূরণ হবে, কোচবিহার থেকে বক্তব্য মুখ্যমন্ত্রীর
  • ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:৫৯
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার: আজ, মঙ্গলবার কোচবিহার সফরে এসেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যে পালাবদলের পর এটাই তাঁর প্রথম কোচবিহার সফর। কোচবিহার বিমানবন্দরে নেমেই আজ তিনি মদনমোদন মন্দিরে এসে পুজো দেন। এদিন কোচবিহারে উন্নয়নের একাধিক পরিকল্পনা নিয়ে বড় বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। মদন মোহন মন্দিরে পুজো দেওয়ার পর তিনি জানান, কোচবিহারে এসে মদন মোহন মন্দিরে পুজো দেওয়া এবং ঠাকুর পঞ্চানন বর্মার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো তাঁর কাছে অবিচ্ছেদ্য বিষয়। একইসঙ্গে আগামী দিনে জেলায় একাধিক উন্নয়নমূলক কাজের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

Advertisement

মুখ্যমন্ত্রী জানান, কোচবিহারে প্রচুর কাজ হবে। জেলা প্রশাসনের তরফে ইতিমধ্যেই  পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে। এই কাজের ক্ষেত্রে অর্থের কোনও সমস্যা হবে না বলেও আশ্বাস দেন তিনি। আগামী ২৮ তারিখ কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক রয়েছে। সেই বৈঠকে কোচবিহারের বিমান পরিষেবা সংক্রান্ত বিষয়ও আলোচনায় থাকবে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, ৯ মে ২০২৬ তিনি শপথ নিয়েছেন। ৯ মে ২০২৭-এর মধ্যে কোচবিহারবাসীর বহু প্রত্যাশা পূরণের লক্ষ্যে এক বছর সময় প্রয়োজন। ইতিমধ্যেই ডিপিআর তৈরি, পরিকল্পনা এবং বরাদ্দের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরের প্রথম টেন্ডারেও কোচবিহার জেলার জন্য উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কাজ রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।

সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্পগুলির কথাও তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। জল জীবন মিশন, প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর, অন্নপূর্ণা যোজনা, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা, পিএম কিষান সম্মান নিধি এবং কৃষক বন্ধু প্রকল্পের ভেরিফিকেশন-সহ বিভিন্ন কাজ একসঙ্গে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি। আগামী দিনে আরও একাধিক প্রকল্প বাস্তবায়নের কথাও বলেন মুখ্যমন্ত্রী। কোচবিহারকে পর্যটনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্য হিসেবে গড়ে তোলার উপরও জোর দেন তিনি। উত্তরবঙ্গ, তরাই ও ডুয়ার্সের একশৃঙ্গ গণ্ডার থেকে শুরু করে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে পর্যটনের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনার কথা জানান। তাঁর কথায়, কোচবিহারে প্রকৃতিপ্রেমী পর্যটকদের পাশাপাশি ধর্মীয় পর্যটকরাও আসবেন। সেই লক্ষ্যেই রেল, বাস ও বিমান যোগাযোগ আরও উন্নত করার পাশাপাশি পর্যটকদের থাকার জন্য ভালো মানের গেস্ট হাউস তৈরির প্রয়োজন রয়েছে। তরাই, ডুয়ার্স কিংবা টাইগার হিলের মতো কোচবিহারকেও একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন গন্তব্য হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ