নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মঙ্গলবার আলিপুরে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলাশাসকের ডাকা কলকাতা পুরসভার ভোট সংক্রান্ত সর্বদল বৈঠকে রীতিমতো চলল বাগবিতণ্ডা। যদিও সেই বৈঠকে জেলাশাসক উপস্থিত ছিলেন না। তাঁর বদলে বৈঠক পরিচালনা করেন ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট। সেখানেই নানা বিষয়ে ক্ষোভ উগরে দেন মমতা পন্থী তৃণমূল, কংগ্রেস এবং বাম নেতারা। নির্বাচন কমিশন স্বীকৃতি দিলেও রাজনৈতিক দল হিসাবে এদিনের বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি ঋতব্রতপন্থী ‘গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস’কে। যা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে আজ, বুধবার রাজ্য নির্বাচন কমিশনে চিঠি পাঠানো হচ্ছে।
জানা গিয়েছে, এদিন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলকে আসন্ন পুরসভা নির্বাচনের খসড়া ভোটার তালিকা দেওয়া হয়। যেখানে ১ জুলাই পর্যন্ত ভোটারদের নামের রয়েছে। পুরসভার প্রাক্তন মেয়র পারিষদ বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়, কংগ্রেস নেতা আশুতোষ চট্টোপাধ্যায়ের প্রশ্ন তোলেন, কলকাতার প্রায় এক লক্ষ ২০ হাজার ভোটার বিচারাধীন ছিলেন। ইতিমধ্যেই ৩৩৩৬ জন বৈধ ভোটারের নাম ফের তালিকায় যুক্ত হয়েছে। ট্রাইবুনাল প্রক্রিয়া এখনও চলছে। তাহলে বৈধ ভোটারদের বাইরে রেখে কীভাবে এই ভোটার লিস্ট তৈরি হল! বৈধ ভোটারদের বাদ দিয়ে ভোট প্রক্রিয়া চালানোর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বিরোধীরা।
আগামী ২ নভেম্বর পর্যন্ত এই খসড়া ভোটার তালিকার উপরে অভিযোগ জানানো যাবে। ৪ ও ৫ নভেম্বর শুনানি চলবে। ১২ নভেম্বর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হতে পারে। সেক্ষেত্রে বিরোধীদের একাংশ ১ অক্টোবর পর্যন্ত ভোটার তালিকায় ভোট করানোর দাবি করেছেন। ফলে কলকাতা পুরভোটের নোটিফিকেশন জারি হতে নভেম্বরের মাঝামাঝি হয়ে যাবে। অর্থাৎ পুরসভা নির্বাচন যে ডিসেম্বরেই তা এক প্রকার নিশ্চিত।



