কর্ণাটকের চারটি সিটই এনডিএ-র, ধরাশায়ী কংগ্রেস
  • ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

বেঙ্গালুরু: কর্ণাটকে গেরুয়া ঝড়। রাজ্যের চারটি বিধান পরিষদের তিনটিই দখল করল বিজেপি। আর জোটসঙ্গী জনতা দল সেকুলার পেয়েছে একটি আসন। সব মিলিয়ে এনডিএর ঝুলিতে চারটি আসনই গিয়েছে। আর রাজ্যের শাসক দল হওয়া সত্ত্বেও একটি আসনও পায়নি কংগ্রেস। ফল ঘোষণার পরেই মুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমারকে কটাক্ষ করে কর্ণাটক বিজেপি এক্স হ্যান্ডলে লিখেছে, ‘ডি কে, ইট’স ডান ব্রো।’ গত জুলাই মাসে তৎকালীন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা চেয়ে দিল্লিতে পথে নেমেছিল ককরোচ জনতা পার্টি। সেই আন্দোলনকে সমর্থন করে অনশনে বসেছিলেন সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক। তাঁর স্বাস্থ্যের অবনতি হলে অনশন ভাঙার অনুরোধ করে অভিনেতা সলমন খান সমাজ মাধ্যমে লিখেছিলেন, ‘সোনম, ইট’স ডান ব্রো’। এবার কংগ্রেসের পরাজয়ের পর শিবকুমারকেও থামার বার্তা দিল উজ্জীবিত কর্ণাটক বিজেপি। 

Advertisement

বুধবার কর্ণাটক বিধান পরিষদের ১৯টি জেলায় ছড়িয়ে থাকা চারটি কেন্দ্রের ফল ঘোষণা করা হয়। কর্ণাটকের দুই-তৃতীয়াংশ এলাকাই এই জেলাগুলির মধ্যে পড়ে। এরমধ্যে দক্ষিণ-পূর্ব স্নাতক, পশ্চিম স্নাতক এবং উত্তর-পূর্ব শিক্ষক কেন্দ্রটি পেয়েছে বিজেপি। অন্যদিকে বেঙ্গালুরু শিক্ষক কেন্দ্র আসনটি গিয়েছে জনতা দল সেকুলারের দখলে। কংগ্রেসের পক্ষে এই ফল বিরাট ধাক্কা। কারণ এই জেলাগুলিতেই ছড়িয়ে রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমার, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া এবং কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের বাড়ি। ভোটের ফল থেকেই স্পষ্ট, এঁরা কেউই নিজেদের এলাকায় ভোটারদের সমর্থন পাননি। পাশাপাশি রাজ্যের শিক্ষিত ও চাকরিজীবীদের মধ্যেও যে কংগ্রেস জনসমর্থন হারিয়েছে, এই বার্তাও দিনের আলোর মতো স্পষ্ট। 
এসআইআর বিরোধী আন্দোলন শুরুর পর থেকেই কংগ্রেস আগের মতো ব্যালটে ভোট ফেরানোর দাবি করেছিল। কর্ণাটক বিধান পরিষদের ভোট নেওয়া হয় ব্যালট পেপারে। এরপরেও কংগ্রেসের ভরাডুবি আটকানো গেল না। এই নিয়ে কর্ণাটক বিজেপির ইউথ প্রেসিডেন্ট নিখিল কুমার জানিয়েছেন, ‘আমাদের জনভিত্তির প্রমাণ ব্যালটের মাধ্যমে প্রমাণিত। এবার আর ইভিএমকে দোষ দেওয়া যাবে না।’ এই ফলকে ২০২৮ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ট্রেলার বলেও তিনি মন্তব্য করেছেন। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বি এস ইয়েদুরাপ্পা বলেন, ‘রাজ্যের আলোকপ্রাপ্ত শিক্ষিত ভোটাররা শাসক দল কংগ্রেসের বিপক্ষে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উন্নয়ন এবং যোগ্য নেতৃত্বের প্রতি এঁরা আস্থাশীল।’