সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলিতে স্বচ্ছতা আনতে সব অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের পড়ুয়াদের কেওয়াইসি করা হচ্ছে। হাওড়াতেও এই কাজ শুরু হয়েছে। প্রশাসন সূত্রে খবর, ইতিমধ্যে ৯০ শতাংশ পড়ুয়ার কেওয়াইসি হয়ে গিয়েছে। খুব শীঘ্র সমস্ত অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের পড়ুয়াদের কেওয়াইসি হয়ে যাবে। শিশু এবং প্রসূতি মায়েদের পুষ্টিকর খাবার দেওয়ার অন্যতম মাধ্যম হল অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র। এইসব কেন্দ্রগুলিতে একদিন থেকে ছ’বছর বয়স পর্যন্ত শিশুদের এবং প্রসূতিদের ডিম সহ বিভিন্ন পুষ্টিকর খাবার দেওয়া হয়। তাই এই কেওয়াইসির মাধ্যমে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে আসা শিশুদের সর্ম্পকে সম্যক ধারণা এবং তাদের ঠিকমতো পুষ্ঠিকর খাবার দেওয়ার কাজটা আরও সহজ হবে।
এই কেওয়াইসি কীভাবে হবে? প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে যেসব পড়ুয়ার নাম আছে তাদের, এবং তাদের অভিভাবকদের আধার কার্ড এখানে লিঙ্ক করা হচ্ছে। এটা হয়ে গেলে কোন অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে কত পড়ুয়া আছে, সেটা প্রশাসনের কাছে পরিষ্কার হয়ে যাবে। হাওড়া জেলায় এই কাজ দ্রুত হচ্ছে। তবে যেসব পড়ুয়ার এখনও আধার কার্ড হয়নি, তাদের যাতে দ্রুত আধার কার্ড করে কেওয়াইসি করে দেওয়া যায়, সেই উদ্যোগ নিচ্ছে প্রশাসন।
এই ব্যাপারে ডিস্ট্রিক প্রোজেক্ট অফিসার অরবিন্দ রায় জানান, যেসব অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের পড়ুয়ার আধার কার্ড হয়নি, বা হলেও লিঙ্ক করা সম্ভব হয়নি, তাদের আধার কার্ড দ্রুত করে দেওয়ার জন্য হাওড়ার প্রধান পোস্ট অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট পড়ুয়াদের বাড়ির কাছাকাছি কোনও একটি জায়গায় এই আধার কার্ড করিয়ে দেওয়া হবে। আমরা হাওড়া জেলায় ১০০ শতাংশ পড়ুয়ার কেওআইসি করার জন্য তৎপর আছি। -ফাইল চিত্র